kalerkantho

বুধবার । ৫ কার্তিক ১৪২৭। ২১ অক্টোবর ২০২০। ৩ রবিউল আউয়াল ১৪৪২

চাঁদাবাজিকালে র‌্যাবের হাতে আটক পুলিশ সদস্যসহ ৪ জন

নিজস্ব প্রতিবেদক, সাভার (ঢাকা)   

২৭ জুলাই, ২০২০ ১৫:১৬ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



চাঁদাবাজিকালে র‌্যাবের হাতে আটক পুলিশ সদস্যসহ ৪ জন

ঢাকার আশুলিয়ায় ডিবি পুলিশ পরিচয়ে ডাকাতির প্রস্তুতি ও চাঁদাবাজির অভিযোগে এক পুলিশ সদস্যসহ চার জনকে আটক করেছে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব-৪), সিপিসি-২, নবীনগর ক্যাম্পের সদস্যরা। এ সময় আটককৃতদের কাছ থেকে দেশীয় অস্ত্র, একটি গাড়ি, মাদক ও পুলিশের স্টিকারসহ বিভিন্ন জিনিস জব্দ করা হয়েছে।

গতকাল রবিবার সন্ধ্যায় আশুলিয়ার জামগড়া এলাকার নিগার প্লাজার সামনে থেকে তাদের আটক করা হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন র‌্যাব-৪, সিপিসি-২ ক্যাম্পের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জমির উদ্দীন আহমেদ।

আটককৃতরা হলো- আশুলিয়া থানার কনস্টেবল (১২৭৩) ও মানিকগঞ্জ জেলার দৌলতপুর থানার শ্যামপুর গ্রামের মৃত তছলিম উদ্দিনের ছেলে মো. মমিনুল ইসলাম (৩৫), নীলফামারীর ডিমলা থানার বন্দর খড়িবাড়ি গ্রামের আব্দুল লতিফের ছেলে হামিদ (৩২), গাইবান্ধা জেলা সদরের চৌদ্দগ্রামের মৃত তোফাজ্জল হোসেনের ছেলে ওয়াহেদ (৪০) ও জামালপুর জেলার মেলান্দহ থানার চরগুহিন্দি গ্রামের সুরুজ শেখের ছেলে ওয়াজেদ শেখ (২৩)। তারা সবাই আশুলিয়ার বাইপাইলের বিভিন্ন এলাকায় ভাড়ায় বসবাস করে আসছিলেন।

র‌্যাব-৪ সূত্র জানায়, নূর উদ্দীন (৪৬) নামে একজন অভিযোগ করেন কিছু অসাধু ব্যক্তি ডিবি পুলিশের পরিচয় দিয়ে ও দেশীয় অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে ২৫ জুলাই রাত ১১টার দিকে আশুলিয়ার জামগড়া এলাকায় তার ফার্মেসিতে এসে ভয়ভীতি দেখিয়ে ৬৩ হাজার টাকা চাঁদা নেয়। সেই সঙ্গে পরবর্তী দুই দিনে আরো ৫০ হাজার টাকা দিতে হবে বলে জানিয়ে যায়। তার অভিযোগের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করে ডিবি পুলিশ পরিচয় দেওয়া চার জনকে আটক করা হয়।

এ সময় তাদের কাছ থেকে একটি সাদা রংয়ের মাইক্রোবাস, বেশকিছু দেশীয় অস্ত্র, ১টি ওয়াকিটকি সেট, ১টি হ্যান্ডকাফ, ১টি পুলিশ আইডি কার্ড, পুলিশ লেখা স্টিকার, ১টি সিগন্যাল লাইট, ৪৮০ গ্রাম গাঁজা, ১৯০ পিস ইয়াবা, ১৬টি বিভিন্ন ব্যাংকের এটিএম কার্ড, জাল ৩৭ হাজার টাকা, মাদক বিক্রির নগদ ২৮ হাজার ৮১৫ টাকা, বিভিন্ন রংয়ের ৭টি মানিব্যাগ এবং ১২টি মোবাইল সেট জব্দ করা হয়।

র‌্যাব-৪, সিপিসি-২ এর ভারপ্রাপ্ত কম্পানি কমান্ডার ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জমির উদ্দিন আহমেদ বলেন, আটককৃতদের বিরুদ্ধে ডাকাতির প্রস্তুতি, চাঁদাবাজি, মাদকদ্রব্য বিক্রি ও জাল নোট রাখার অপরাধে সোমবার সকালে আশুলিয়া থানায় চারটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। দুটি মামলার বাদী র‌্যাব এবং দুটি মামলার বাদী ভুক্তভোগী নূর উদ্দিন।

আশুলিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রিজাউল হক দিপু বলেন, ‘মমিনুর আশুলিয়া থানায় কর্মরত পুলিশ সদস্য।’

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা