kalerkantho

শনিবার । ৩১ শ্রাবণ ১৪২৭। ১৫ আগস্ট ২০২০ । ২৪ জিলহজ ১৪৪১

দুই বছরেও উন্নয়ন কাজের বিল পাননি সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান

চিতলমারী-কচুয়া (বাগেরহাট) প্রতিনিধি   

১৬ জুলাই, ২০২০ ২০:২১ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



দুই বছরেও উন্নয়ন কাজের বিল পাননি সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান

বাগেরহাটের চিতলমারী উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান মো. রাশেদ শেখ। তিনি উন্নয়ন কাজের বিলের জন্য দুই বছর ধরে ঘুরছেন। ক্ষমতাসীন থাকাকালে তিনি কাজগুলো করেছিলেন। ক্ষমতাহীন হয়ে এখন পাওনা টাকার জন্য প্রশাসনের দ্বারে দ্বারে ঘুরছেন। শেষ পর্যন্ত তিনি প্রধানমন্ত্রী, স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী, বাগেরহাট-১ আসনের সংসদ সদস্য শেখ হেলাল উদ্দীনসহ প্রশাসনের আটটি দপ্তরে লিখিত আবেদন করেছেন।

আজ বৃহস্পতিবার বিকেল চারটার দিকে এই বিষয়ে চিতলমারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মারুফুল আলম কালের কণ্ঠকে জানান, দুই বছর আগে তিনি নিজে এই উপজেলায় কর্মরত ছিলেন না। তাই পুরো বিষয়টি তার অজানা। তারপরেও ওই আবেদনে যেসব কাজের বিলের দাবি করা হয়েছে, তা অনুমোদিত থাকলে বিষয়টি বিবেচনা করা হবে।

উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান ও ঠিকাদার মো. রাশেদ শেখ জানান, প্রত্যেকটি কাজের প্রমাণ প্রশাসনের চোখের সামনে রয়েছে। ২০১৮ সালের ১০ মে তারিখের মধ্যে সম্পন্নকৃত কাজগুলো হচ্ছে, চিতলমারী উপজেলা পরিষদ ভবনের সামনে প্রাচীরসহ ফুল বাগান নির্মাণ, ব্রহ্মগাতী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মাঠে বালু ভরাট, সুরশাইল সুলতান শেখের বাড়ির সামনে হতে ব্রহ্মগাতী বিদ্যালয়ে যাতায়াতের জন্য পুল নির্মাণ এবং উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যানের কার্যালয়ের আসবাবপত্র ক্রয়। এই চারটি কাজের জন্য প্রায় ১৫ লাখ টাকা ব্যায় হয়। জনপ্রতিনিধির দায়বদ্ধতা থেকে তৎকালীন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান, ইউএনও’র সাথে আলোচনা করে প্রতিটি কাজ করা হয়েছিল। ওই পাওনা টাকার জন্য ইউএনও, এলজিইডি ও পিআইও দপ্তরে গত দুই বছর ধরে ঘুরে হয়রান হয়েছি। এখন সুবিচারের আশায় উচ্চ পর্যায়ে আবেদন করেছি। 

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, ‘হায়, ক্ষমতাহীনতা! রাশেদ শেখ ক্ষমতায় থাকা কালে যে উন্নয়ন কাজগুলো করেছেন, তা এখানো দেখা যাচ্ছে। তবে কেন তার পাওনা টাকা পাবে না? তিনি এখন ক্ষমতায় নেই বলে? এই বিষয়ে সরকারের উচ্চ পর্যায়ের পদক্ষেপ নেয়া দরকার।’ 

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা