kalerkantho

শনিবার । ৩১ শ্রাবণ ১৪২৭। ১৫ আগস্ট ২০২০ । ২৪ জিলহজ ১৪৪১

এসএসসি পাস করেই হয়ে গেলেন 'ডাক্তার', পড়লেন ধরা

মানিকগঞ্জ প্রতিনিধি   

১৬ জুলাই, ২০২০ ১৭:৫৮ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



এসএসসি পাস করেই হয়ে গেলেন 'ডাক্তার', পড়লেন ধরা

প্রমোদ চক্রবর্তী এসএসসি পাস। কিন্তু নিজেকে পরিচয় দিতেন এমবিবিএস ডাক্তার হিসেবে। দীর্ঘ প্রায় ১০ বছর প্রতারণা করার পর অবশেষে ধরা পড়েছেন। জরিমানা দিতে হয়েছে দুই লাখ টাকা। মুচলেকা দিয়ে অঙ্গীকার করেছেন আর কোনো দিন প্রতারণা করবেন না।

প্রতারণার শিকার রানা হোসেন নামে এক ব্যক্তি ওই চিকিৎসকের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর, মানিকগঞ্জ কার্যালয়ে। তদন্ত ও শুনানি শেষে বৃহস্পতিবার নামধারী ডাক্তার প্রমোদ চক্রবর্তীকে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইনের ৪৪ ধারায় দুই লাখ টাকা জরিমানা করেন ভোক্তা অধিদপ্তর মানিকগঞ্জ জেলার সহকারী পরিচালক আসাদুজ্জামান রুমেল।

জানা গেছে, প্রমোদ চক্রবর্তী তাঁর ভিজিটিং কার্ড ও ব্যবস্থাপত্রে নিজেকে বাংলাদেশ মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালের মেডিক্যাল অফিসার এবং মা ও শিশু রোগে অভিজ্ঞ হিসেবে পরিচয় দিতেন। মানিকগঞ্জের সুপার ডায়াগনস্টিক সেন্টার, সিংগাইরের দুটি ফার্মেসি এবং সাভার আধুনিক হাসপাতালসহ বিভিন্ন স্থানে নিয়মিত রোগী দেখতেন। স্থানভেদে ৩০০-১০০০ টাকা ভিজিট নিতেন। প্রয়োজনে অস্ত্রোপচারও করতেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ভোক্তা অধিদপ্তর মানিকগঞ্জ জেলা সহকারী পরিচালক আসাদুজ্জামানা রুমেল। তিনি বলেন, তদন্তে প্রমাণ হয়েছে, প্রমোদ চক্রবর্তী ডাক্তারের নামে একজন প্রতারক। তিনি নিজেও প্রতারণার কথা স্বীকার করেছেন।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা