kalerkantho

শুক্রবার । ২৩ শ্রাবণ ১৪২৭। ৭ আগস্ট  ২০২০। ১৬ জিলহজ ১৪৪১

চমেকে সংঘর্ষ

ডাক্তারদের বিরুদ্ধে মামলা প্রত্যাহার চায় বিএমই, অন্যথায় আন্দোলন

নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম   

১৬ জুলাই, ২০২০ ১৭:৩৬ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



ডাক্তারদের বিরুদ্ধে মামলা প্রত্যাহার চায় বিএমই, অন্যথায় আন্দোলন

সম্প্রতি চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ ক্যাম্পাসে মারামারির ঘটনায় ১১ চিকিৎসকের বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে বাংলাদেশ মেডিক্যাল অ্যাসোসিয়েশন (বিএমএ) চট্টগ্রাম শাখা। মামলা প্রত্যাহার না হলে আন্দোলন ও প্রতিরোধের ঘোষণা দিয়েছে এই চিকিৎসক সংগঠন। বৃহস্পতিবার গণমাধ্যমে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়।

গত ১২ জুলাই রবিবার সকালে স্থানীয় সাংসদ শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল চমেক হাসপাতালে চিকিৎসা সরঞ্জাম বিতরণ কর্মসূচি শেষে হাসপাতাল ত্যাগের পর নগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন ও নওফেলের অনুসারী চমেক ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের মধ্যে মারামারি হয়। এতে দুই পুলিশসহ অন্তত ১৩ জন আহত হয়। এই ঘটনায় পরদিন নওফেলের অনুসারী চমেক ছাত্রলীগের নেতা খোরশেদুল আলম বাদী হয়ে ১১ চিকিৎসকসহ ৩৬ জনের বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করেন।

বিএমএ চট্টগ্রাম শাখার যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ডা. মো. রবিউল করিমের পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, গত ১২ জুলাই সকাল ১০টায় চমেক হাসপাতালে সদ্য পাস করা ইন্টার্ন ডাক্তারদের একটি অনুষ্ঠান হওয়ার কথা ছিল। যাতে অতিথি হিসেবে আমন্ত্রিত ছিলেন বিএমএ চট্টগ্রাম শাখার সভাপতি ডা. মুজিবুল হক খান। সকালে আয়োজকরা জানতে পারেন, শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল একটি কর্মসূচিতে যোগ দিতে চমেক হাসপাতালে যাবেন। তখন অনুষ্ঠানটি পিছিয়ে দুপুর ১২টায় করা হয়। উপমন্ত্রী হাসপাতালে যাবার পর চমেক ছাত্র সংসদের নেতারা মতবিনিময়ও করেন।

কিন্তু কর্মসূচি শেষে উপমন্ত্রী হাসপাতাল ত্যাগের পরই উপস্থিত চিকিৎসক, ইন্টার্ন ডাক্তার ও চমেক ছাত্র সংসদের নেতাদের ওপর হামলার ঘটনা ঘটে দাবি করে বিএমএ বলেছে, এর সঙ্গে একদল বহিরাগত সন্ত্রাসী জড়িত। পরিস্থিতি ঘোলাটে করার জন্য বহিরাগত সন্ত্রাসীরা এই হামলা ঘটনা ঘটিয়েছে।

বিএমএ আরো বলছে, হামলার পর একাধিক চিকিৎসক ও চমেক ছাত্র সংসদের নেতাদের নামে একটি মামলা করা হয়েছে, যা মিথ্যা, হাস্যকর, উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। চিকিৎসক সমাজের ঐক্য নষ্ট করতে এই মামলা করা হয়েছে বলে দাবি বিএমএর।

মামলার আসামিদের মধ্যে আছেন, চিকিৎসক সোহেল পারভেজ সুমন, হিমেল চাকমা, সায়েম তানভীর, ওয়াসিম সাজ্জাদ রানা, হাবিবুর রহমান, এম আউয়াল রাফি, ওসমান গণি, ফয়সাল আহমেদ, তাজওয়ার রহমান অয়ন, আরমানউল্লাহ চৌধুরী ও নাবিদ তানভীর এবং চমেক ছাত্র শাহরিয়ার মো. রাহাতুল ইসলাম, আল আমিন ইসলাম শিমুল, সোয়েব আলী খান, ওয়াহিদ মুরাদ শাহীন ও মাহাদি বিন হাশিম। আসামিরা সবাই মেয়র নাছিরের অনুসারী হিসেবে পরিচিত।

বিএমএ এই মামলা প্রত্যাহার করে হামলায় জড়িত বহিরাগতদের আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা