kalerkantho

শনিবার । ২৪ শ্রাবণ ১৪২৭। ৮ আগস্ট  ২০২০। ১৭ জিলহজ ১৪৪১

আলোচনায় নবাবগঞ্জের ‌'নবাব'

অমিতাভ অপু, দোহার-নবাবগঞ্জ (ঢাকা)   

১৬ জুলাই, ২০২০ ১৪:২৪ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



আলোচনায় নবাবগঞ্জের ‌'নবাব'

ঢাকার নবাবগঞ্জ উপজেলার ছোট বক্সনগর এলাকার মো. মনির আহমেদ। পেশায় দন্ত চিকিৎসক। আসছে কোরবানি ঈদ সামনে রেখে অস্ট্রেলীয় জাতের এই গরুটির দাম হাঁকিয়েছেন ১৬ লাখ টাকা। তাই দামের সঙ্গে নামের মিলটা খুঁজতে তাঁকে প্রশ্ন করা হলো গরুটির নাম কী? প্রশ্ন করতেই মুচকি হাসি দিয়ে বীরদর্পে বললেন, 'নবাব'। কুচকুচে কালো রঙের নবাবকে দেখতে এরই মধ্যে দোহার-নবাবগঞ্জ ও কেরানীগঞ্জের বিভিন্ন এলাকা থেকে ক্রেতা ও ব্যবসায়ীরা আসছেন। 

ঢাকার নবাবগঞ্জ উপজেলার বক্সনগর এলাকার মনির ডেন্টালের স্বত্বাধিকারী মো. মনির আহমেদ শখের বশে গত তিন বছর দুই মাস আগে গরুটি কিনেছিলেন। তারপর এর নাম দেন 'নবাব'।  সেই নবাবকে পরম যত্নে লালন করেছেন সন্তানের মতো। তার দেখভালের জন্য রয়েছেন তিনি ও তার ছোট ভাই পনির আহমেদ। কোরবানির ঈদ সামনে রেখে দেশীয় পদ্ধতিতে, দেশীয় খাবার খাইয়ে প্রতিদিন গড়ে তুলেছেন নবাবকে। 

কোরবানির পশুর ক্ষেত্রে উচ্চবিত্তদের কাছে পছন্দের প্রথমে এই জাতের গরুর আকর্ষণ বরাবরই বেশি থাকে। নবাবের উচ্চতা প্রায় ৬ ফুট, ওজন এক টন (১০০০ কেজি)। এবারের কোরবানির ঈদ সামনে রেখে নবাবের দাম হাঁকা হচ্ছে ১৬ লাখ টাকা।

নবাবের জন্য করা হয়েছে আলাদা শেডের ব্যবস্থা। রাখা হয়েছে ২৪ ঘণ্টা ইলেকট্রিক ফ্যানের সুব্যবস্থা। শেডের সামনে  ফাঁকা জায়গায় নবাবকে ছেড়ে দেওয়া হয় ব্যায়ামের জন্য। সরেজমিনে গত মঙ্গলবার দুপুরে বক্সনগর এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, গরুটির মালিক মনির পরম যত্নে সন্তানের মতো তাকে গোসল করাচ্ছেন।

মনির আহমেদ বলেন, অনেক যত্ন করে আমি আমার 'নবাব'কে দুই বছর চার মাস ধরে লালন-পালন করছি। নবাবের প্রতিদিনের খাবার তালিকায় রয়েছে সবুজ ঘাস, সয়াবিনের খৈল, গম, ভুট্টা, ছোলা। আমার ইচ্ছা নবাবকে বাড়ি থেকেই বিক্রি করব। যেহেতু করোনার মহামারি চারদিকে ছড়িয়ে পড়েছে। তাই হাটে গিয়ে বিক্রির তেমন কোনো ইচ্ছা নেই আমার। তিনি জানান 'নবাব'কে লালন পালন করার ক্ষেত্রে উপজেলা প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর আমাকে বিভিন্নভাবে সহযোগিতা করেছে। 

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা