kalerkantho

শুক্রবার । ৩০ শ্রাবণ ১৪২৭। ১৪ আগস্ট ২০২০ । ২৩ জিলহজ ১৪৪১

সেতু দেবে ৬ গ্রামের মানুষের চলাচলে দুর্ভোগ

সরিষাবাড়ী (জামালপুর) প্রতিনিধি   

১৩ জুলাই, ২০২০ ১৯:০৬ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



সেতু দেবে ৬ গ্রামের মানুষের চলাচলে দুর্ভোগ

জামালপুরের সরিষাবাড়ী উপজেলায় সাতপোয় শহর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এলাকায় চলাচলের জন্য নির্মিত সেতুটি কয়েক দিনের টানা বৃষ্টি ও বন্যার পানির তোড়ে সেতুতে উঠার সংযোগ সড়ক ধসে সেতুটি দেবে গেছে। এতে দুর্ভোগে পড়েছেন ছয় গ্রামের প্রায় ৩০ হাজার মানুষ ও পণ্যবাহী যানবাহন। চলাচলের রাস্তা ও সেতুটি দ্রুত মেরামত করার দাবি এলাকাবাসীর।

জামালপুর জেলা পানি উন্নয়ন বোর্ড সূত্রে জানা যায়, যমুনা নদীর পানি গত ২৪ ঘণ্টায় বেড়ে বিপদসীমার ৭১ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। স্থানীয় বিভিন্ন নদ নদীর পানিও হু হু করে বেড়েই চলছে। এতে নদীর পাড়, বিভিন্ন রাস্তা ঘাঠ, ব্রিজ ও নদীরক্ষা বাঁধ ভাঙার আশংকা করা হচ্ছে।

আজ সোমবার সরেজমিন ঘুরে দেখা যায়, ঝিনাই নদীর পাড় ঘেঁসেু পৌর এলাকার মাইজবাড়ী-সাতপোয় পাকা সড়কের ২ নং সাতপোয় শহর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের উত্তর পাশে সেতুটির সামনে গত কয়েক দিনের টানা বৃষ্টি ও বন্যার পানির তোড়ে সেতুটির সংযোগ সড়ক ধসে সেতুটি দেবে যায়। এর ফলে সেতুটির উত্তর ও পশ্চিম দক্ষিন দিকে মাইজবাড়ী, সাতপোয়া, কোনাবাড়ী, খাগুড়িয়া, বালিয়া, দিয়ার কৃঞ্চানা গ্রামের প্রায় ৩০ হাজার গ্রামবাসী চলাচলের চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। ওই এলাকার কৃষক ও ব্যবসায়ীরা তাদের কৃষিপণ্য পরিবহন করে হাটবাজারে নিতে ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।

ঝিনাই নদীর পাড়ে মাইজবাড়ী-সাতপোয় গ্রামের ২ নং সাতপোয় শহর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের উত্তর পাশে ২০১৬-১৭ অর্থবছরে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তর ৩০ লাক্ষ টাকা ব্যয়ে ৪০ ফুট দীর্ঘ সেতুটি নির্মাণ করা হয়। 

২ নং সাতপোয়া শহর প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থী লাবনী আক্তার বলেন, সেতু সংযোগ সড়ক ও সেতু দেবে যাওয়ায় আমাদের স্কুলে যাতায়াতে সমস্যা হবে। বন্যার আগে থেকেই ভাঙাগা শুরু হয়েছে। এখন বন্যার পানিতে আরো বেশি বড় ভাঙা দেখা দিয়েছে। সরকারে কাছে দাবি স্কুল চালু হবার আগেই যেন সেতুটি মেরামত করা হয়।

সাতপোয়া গ্রামের ভ্যানচালক আব্দুল মালেক বলেন, সেতুর সাথে রাস্তা ও সেতুটি দেবে যাওয়াতে আমরা মালামাল নিয়ে দূরে কোথাও যেতে পারি না। রাস্তা ভাঙার কারণে ঐদিক দিয়ে যাত্রী ভ্যানে উঠে যাতায়াত করতে চায় না। এক রকম গাড়ি চালানো বন্ধ হয়ে গেছে। গাড়ি না চালাতে পারলে সংসার চালাবো কি করে। বউ বাচ্চা নিয়ে না খেয়ে থাকতে হয় আমাদের।

উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন অফিসার (পিআইও) হুমায়ুন কবীর বলেন, রাস্তাটি সংস্কার আমাদের এখতিয়ারে নেই। এটি পৌরসভার কাজ। বন্যার পানি চলে গেলে সেতুটি সংস্কার করা হবে।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার শিহাব উদ্দিন আহমদ বলেন, বন্যার পানিতে রাস্তাটি ভেঙ সেতু দেবে গেছে। সেটি মেরামত করবে পৌরসভা। সেতু ও রাস্তাটি দ্রুত মেরামত করার জন্য প্রয়োজনী ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য পৌর কর্তৃপক্ষকে জানানো হবে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা