kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ২৯ শ্রাবণ ১৪২৭। ১৩ আগস্ট ২০২০ । ২২ জিলহজ ১৪৪১

চার মাসের বেতন ও আখের মূল্য পরিশোধের দাবি

শূন্য থালা হাতে চিনিকল শ্রমিক-কর্মচারী ও আখচাষিদের বিক্ষোভ

গাইবান্ধা প্রতিনিধি   

১৩ জুলাই, ২০২০ ১৮:০৫ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



শূন্য থালা হাতে চিনিকল শ্রমিক-কর্মচারী ও আখচাষিদের বিক্ষোভ

গাইবান্ধার জেলার কৃষিভিত্তিক একমাত্র ভারিশিল্প কারখানা গোবিন্দগঞ্জের মহিমাগঞ্জ রংপুর চিনিকলের শ্রমিক-কর্মচারীরা করোনার এই দুঃসময়ে চার মাসের বকেয়া বেতনের দাবিতে সোমবার শূন্য থালা হাতে বিক্ষোভ প্রদর্শন ও মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছেন। এ সময় চিনিকলে আখচাষিদের সরবরাহ করা আখের মূল্য পরিশোধেরও দাবি করা হয়। রংপুর চিনিকল শ্রমিক-কর্মচারী ইউনিয়ন ও আখচাষি সমিতি যৌথভাবে কর্মসূচির আয়োজন করে। 

সকাল সাড়ে ৮টা থেকে গোবিন্দগঞ্জ-মহিমাগঞ্জ সড়কে চিনিকল এলাকায় এই কর্মসূচি শুরু হয়। পরে চিনিকলের প্রধান ফটক বন্ধ করে দিনে বেলা ১১টা পর্যন্ত বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন তারা। এ সময় অনুষ্ঠিত সমাবেশে বক্তব্য রাখেন  রংপুর চিনিকল শ্রমিক-কর্মচারী ইউনিয়নের সভাপতি আবু সুফিয়ান সুজা, সাধারণ সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান দুলাল, সহসম্পাদক ফারুক হোসেন ফটু, কোষাধ্যক্ষ রফিকুল ইসলাম, সাবেক সভাপতি এস এম জালাল, সাধারণ সম্পাদক তোফাজ্জল হোসেন, সাহেবগঞ্জ খামারের শ্রমিক নেতা আলী আজগর, আখচাষি নেতা জিন্নাত আলী প্রধান, আব্দুর রশিদ ধলু প্রমুখ।

সমাবেশে নেতৃবৃন্দ চিনিকলের মালিকানাধীণ সাহেবগঞ্জ বাণিজ্যিক খামার ভূমিদস্যুমুক্ত করার ক্ষেত্রে প্রশাসনের রহস্যজনক ভূমিকার তীব্র সমালোচনা করেন। তারা এসব সমস্যার সমাধানে অবিলম্বে সরকারের হস্তক্ষেপ কামনা করেন। বক্তারা বলেন, শ্রমিক কর্মচারীরা নিজেদের ও পরিবার-পরিজনের পেটের খিদে নিয়ে আন্দোলনে নেমেছেন।  

সমাবেশ থেকে শ্রমিক-কর্মচারীদের বেতন-ভাতা ও আখচাষিদের আখের মূল্য পরিশোধ সহ বিভিন্ন দাবি আদায়ের লক্ষ্যে ১৪ জুলাই থেকে ২৫ জুলাই পর্যন্ত লাগাতার বিভিন্ন কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়। এর মধ্যে রয়েছে ১৪ জুলাই সকাল ৮টা থেকে দুই ঘণ্টা কর্মবিরতি ও অবস্থান ধর্মঘট, ১৬ জুলাই সকাল ৯টায় শ্রমিক ও আখচাষিদের মহিমাগঞ্জ এলাকায় বিক্ষোভ মিছিল, ১৮ ও ১৯ জুলাই পূর্ণদিবস কর্মবিরতি, ২০ জুলাই রেলপথ অবরোধ, ২২ জুলাই গোবিন্দগঞ্জ উপজেলা পরিষদ চত্বরে বিক্ষোভ, মানববন্ধন ও অবস্থান ধর্মঘট এবং ২৫ জুলাই গোবিন্দগঞ্জে রাজপথে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ কর্মসূচির ঘোষণা দেওয়া হয়। 

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা