kalerkantho

শুক্রবার । ৩০ শ্রাবণ ১৪২৭। ১৪ আগস্ট ২০২০ । ২৩ জিলহজ ১৪৪১

গাইবান্ধায় বন্যা পরিস্থিতির অবনতি, অন্যত্র সরে যাচ্ছে মানুষ

গাইবান্ধা প্রতিনিধি   

১৩ জুলাই, ২০২০ ১৭:২৬ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



গাইবান্ধায় বন্যা পরিস্থিতির অবনতি, অন্যত্র সরে যাচ্ছে মানুষ

অবিরাম ভারী বর্ষণ ও উজানের ঢলে দ্বিতীয় দফায় গাইবান্ধা জেলার সার্বিক বন্যা পরিস্থিতির আরো অবনতি হয়েছে। ব্রহ্মপুত্র, তিস্তা ও ঘাঘট নদীর পানি বিপদসীমা অতিক্রম করায় গত চব্বিশ ঘণ্টায় জেলার সুন্দরগঞ্জ, সদর, ফুলছড়ি ও সাঘাটা উপজেলার নদী তীরবর্তী আরো কিছু এলাকায় পানি ঢুকতে শুরু করেছে।

তিনটি ইউনিয়নের চর ও নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। ইউনিয়নগুলো হচ্ছে সুন্দরগঞ্জ উপজেলার তারাপুর, বেলকা, গাইবান্ধা সদর উপজেলার কামারজানি ও ফুলছড়ি উপজেলার উদাখালি। এ নিয়ে জেলার ১৪টি ইউনিয়নের নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হলো। এ ছাড়া রবিবার প্লাবিত হওয়া ইউনিয়নগুলোর নতুন নতুন গ্রামে পানি ঢুকে পড়েছে। এসব ইউনিয়নের অন্তত ৩৫ হাজার মানুষ নতুন করে পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন।

নতুন করে বন্যায় বিপর্যস্ত মানুষ নৌকা, কলা গাছের ভেলা ও কাঁধে করে ঘর থেকে মালপত্র সরিয়ে নিচ্ছেন। তাদের বেশির ভাগই ব্রহ্মপুত্র বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ ও বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে আশ্রয় নিচ্ছেন। এদিকে ঘাঘট নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় শহরের ডেভিড কম্পানি পাড়া এলাকায় শহররক্ষা বাঁধ ঝুঁকির মধ্যে পড়েছে।

অপরদিকে সোমবার বিকেল তিনটায় গাইবান্ধা পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. মোখলেছুর রহমান জানান, ব্রহ্মপুত্র নদের পানি ফুলছড়ি পয়েন্টে বিপদসীমার ৬৭ সেন্টিমিটার, তিস্তা নদীর পানি কাউনিয়া পয়েন্টে বিপদসীমার ১৫ সেন্টিমিটার ও ঘাঘট নদীর পানি নতুন ব্রিজ পয়েন্টে বিপদসীমার ৪৩ উপর দিয়ে প্রবাহিত হয়। তবে করতোয়া নদীর পানি বৃদ্ধি পেলেও তা বিপদসীমার ৫৬ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

বিকেলে মোবাইল ফোনে তিনি আরো বলেন, অবিরাম বর্ষণ ও উজানের ঢলে প্রতিটি নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে। কয়েকদিনে পানি আরো বাড়তে পারে। এভাবে পানি বাড়তে থাকলে বড় বন্যার আশংকা করা হচ্ছে।  

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা