kalerkantho

মঙ্গলবার  । ২০ শ্রাবণ ১৪২৭। ৪ আগস্ট  ২০২০। ১৩ জিলহজ ১৪৪১

চাঁদপুরে শিশুকে ধর্ষণ ও গর্ভপাতের অভিযোগে ধর্ষক গ্রেপ্তার

ঘটনা ধামাচাপা ও সহায়তায় ১১ জনের বিরুদ্ধে মামলা

চাঁদপুর প্রতিনিধি   

১৩ জুলাই, ২০২০ ০১:৩২ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



চাঁদপুরে শিশুকে ধর্ষণ ও গর্ভপাতের অভিযোগে ধর্ষক গ্রেপ্তার

চাঁদপুরে শিশুকে ধর্ষণ ও অবৈধ গর্ভপাতের অভিযোগে একজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ঘটনাটি ধামাচাপা ও ধর্ষককে সহায়তায় ১১ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন শিশুর মা। এর আগে জাহাঙ্গীর হোসেন দর্জি নামে মূল আসামিকে রবিবার রাতে সদর উপজেলার বাবুরহাট থেকে আটক করা হয়। 

চাঁদপুর সদরের তরপুরচন্ডি ইউনিয়নের আনন্দবাজার। তার পাশেই দরিদ্র পরিবারের শিশুটির বাড়ি। গত চার মাস আগে বাড়ির পাশে খালপাড়ে খেলতে যায় শিশুটি। সেখানে মুখ চেপে ধরে ধর্ষণ করে জাহাঙ্গীর হোসেন দর্জি (৪০)। এরপর ভয়ভীতি দেখিয়ে আরো কয়েকবার ধর্ষণের শিকার হয় শিশুটি।

একপর্যায়ে পঞ্চশ্রেণিতে পড়ুয়া এই শিশুটি অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়ে। গত এক সপ্তাহ আগে লম্পট জাহাঙ্গীর ও তার স্ত্রীসহ কয়েকজন চাঁদপুর শহরের একটি ক্লিনিকে এনে শিশুটির গর্ভপাত ঘটায়। এই ঘটনার পর বিষয়টি এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে। এতে বিব্রত হয়ে শিশুর বাবা-মা স্থানীয় মেম্বার আব্দুল আউয়াল, স্কুল কমিটির সভাপতি মোস্তফা মালসহ বিভিন্নজনের কাছে ছুটে যান। এই নিয়ে তারা কয়েক দফা দেন-দরবার করে ব্যর্থ হন। অভিযোগ রয়েছে, এসব স্থানীয় ব্যক্তিরা ঘটনাটি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করেন।

শেষপর্যন্ত চাঁদপুর সদর থানা পুলিশের কাছে ঘটনা পৌঁছায়। এসময় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) জাহেদ পারভেজ চৌধুরীর নির্দেশে উপ-পরিরদর্শক রেজাউল করিমের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত জাহাঙ্গীর হোসেন দর্জিকে আটক করে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আটক ব্যক্তি তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ স্বীকার করেছেন।

রবিবার রাতেই এই শিশু ধর্ষণ, ঘটনার সহায়তা এবং ধামাচাপা দেওয়ার অভিযোগ এনে সদর থানায় মামলা করেছেন, ধর্ষিতা শিশুর মা। এতে ১১ জনকে আসামি করা হয়েছে। এমন তথ্য জানিয়েছেন, থানার ওসি মো. নাসিমউদ্দিন। মামলাটি রুজু হওয়ার পর আটক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।

তিনি আরো জানান, এই মামলায় অভিযুক্ত অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। তবে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, আনন্দবাজার এলাকার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পঞ্চম শ্রেণিতে পড়ছে শিশুটি। দরিদ্র পরিবারের শিশুটির বাবা একজন শ্রমজীবী।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা