kalerkantho

সোমবার । ২৬ শ্রাবণ ১৪২৭। ১০ আগস্ট ২০২০ । ১৯ জিলহজ ১৪৪১

পেট ব্যথার সমাপ্তি ঘটল আত্মহত্যায়!

রায়পুরা (নরসিংদী) প্রতিনিধি   

১৩ জুলাই, ২০২০ ০১:২০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



পেট ব্যথার সমাপ্তি ঘটল আত্মহত্যায়!

পাঁচ মাসের অধিক সময় ধরে পেটের ব্যথায় ভুগছিলেন। সৌদি আরবে চিকিৎসা করিয়েও মুক্তি মেলেনি। শেষে ফিরে আসেন দেশে। তারপর দেশের অনেক হাসপাতালের চিকিৎসকের শরণাপন্ন হয়েছেন। ঔষধও সেবন করেছেন। তাতেও রোগ থেকে মুক্তি পাননি। এক সময় তীব্র পেট ব্যথায় মানসিক ভারসাম্যহীন হয়ে পড়েন। অবশেষে আত্মহত্যার পথ বেঁচে নেন বিদেশফেরত এক যুবক। 

মো. আওলাদ হোসেন নামে আটত্রিশ বছর বয়সী ওই যুবক নরসিংদীর রায়পুরা উপজেলার চাঁনপুর ইউনিয়নের সদাগরকান্দি গ্রামের বাসিন্দা। তিনি ওই গ্রামের খোরশেদ আলমের ছেলে। শনিবার রাত সাড়ে ১১টায় তার নিজ বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে বলে জানায় স্বজনরা।

পুলিশ ও পারিবারিক সুত্র জানায়, নিহত আওলাদ এক যুগ ধরে সৌদি আরবে অবস্থান করছিলেন। এর মধ্যে কয়েকবার ছুটিতে দেশে আসেন। গত পাঁচ মাস আগে পেট ব্যথ্যাজনিত সমস্যায় দেশে আসেন তিনি। এরপর প্রথমে কিশোরগঞ্জের ভৈরব পরে ব্রাহ্মণবাড়িয়া ও ঢাকার ল্যাবএইড হাসপাতালে বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের শরণাপন্ন হন। তাদের দেওয়া ব্যবস্থাপত্রের ঔষধ খেয়েও ব্যথা থেকে মুক্তি পাননি আওলাদ।

ফলে এক সময় মানসিক ভারসাম্যহীন হয়ে পড়েন তিনি। শনিবার রাতে পরিবারের লোকজনের অগোচরে ঘরের দরজা-জানালা বন্ধ করে কাঠের ধরনার সঙ্গে ঝুলে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেন। পরে স্বজনরা তাঁকে উদ্ধার করে স্থানীয় পল্লী চিকিৎসকের নিকট নিয়ে গেলে মৃত ঘোষণা করেন।

রায়পুরা থানার এসআই আব্দুল ওয়াহাব বলেন, অনেক দিন ধরেই পেট ব্যথায় ভুগছিলেন আওলাদ। চিকিৎসা করিয়েও তার রোগটি ভাল হয়নি। এক পর্যায়ে তীব্র ব্যথায় মানসিক ভারসাম্যহীন হয়ে পড়েন তিনি। এ কারণেই গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করে থাকতে পারেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। পরে বিনা ময়না তদন্তে লাশ দাফনের আবেদনের প্রেক্ষিতে পরিবারের সদস্যদের কাছে লাশ হস্তান্তর করা হয়েছে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা