kalerkantho

শনিবার । ২৪ শ্রাবণ ১৪২৭। ৮ আগস্ট  ২০২০। ১৭ জিলহজ ১৪৪১

আবাসিক হোটেলে ইয়াবা সেবনের দায়ে ইউপি চেয়ারম্যান গ্রেপ্তার

বরগুনা প্রতিনিধি   

১২ জুলাই, ২০২০ ১৯:৫১ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



আবাসিক হোটেলে ইয়াবা সেবনের দায়ে ইউপি চেয়ারম্যান গ্রেপ্তার

বরগুনা শহরের চরকলোনী এলাকার তাজবিন আবাসিক হোটেলের ভিআইপি ১ নম্বর কক্ষ থেকে রবিবার সন্ধ্যায় মাদক সেবনরত অবস্থায় বেতাগী সদর ইউনিয়নের ইউপি চেয়ারম্যান নজরুল ইসলামকে (৪৭) আটক করে পুলিশ। তিনি বেতাগী উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদকও। এ সময় আরো দুজনকে আটক করা হয়। আটককৃতদের কাছ থেকে ইয়াবা সেবনের সরঞ্জামাদিও উদ্ধার করে পুলিশ। পরে তাদের বিরুদ্ধে পুলিশ বাদী হয়ে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন ২০১৮ এর ধারায় মামলা দায়েরপূর্বক গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠায়।

গ্রেপ্তারকৃত অপর দুজন হলো মো. মহসিন ফয়সাল (৪৫) ও মো. আক্কাস (৪০)। মো. মহসিন ফয়সালও বেতাগী উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক বলে জানা গেছে। তিনি বেতাগী পৌরসভার প্রাক্তন মেয়র মো. আবুল কাশেমের ছেলে। মো. আক্কাসের বাড়ি বরগুনার ঢলুয়া গ্রামে। তিনি পেশায় একজন ব্যবসায়ী। 

নাম প্রকাশ না করার শর্তে একাধিক স্থানীয় এলাকাবাসী জানিয়েছেন, গ্রেপ্তারকৃত ইউপি চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদকের পদকে ব্যবহার করে স্থানীয়ভাবে ব্যাপক আধিপত্য বিস্তার করে আসছেন। দলীয় প্রভাব খাটিয়ে নানারকম জবরদখল থেকে শুরু করে নানা অনিয়ম-দুর্নীতি ও নিরীহ সাধারণ মানুষকে হয়রানির অভিযোগও রয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে স্থানীয় একজন প্রবীণ মুক্তিযোদ্ধা জানান, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও সদর ইউনিয়নের ইউপি চেয়ারম্যান নজরুল ইসলামের পিতা বজলুর রহমান একজন কুখ্যাত রাজাকার ছিলেন। দেশ স্বাধীন হওয়ার পরপরই গণ-আদালতে বিচারের মাধ্যমে স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধারা তাকে মেরে ফেলে। 

বরগুনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কে এম তারিকুল ইসলাম জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আবাসিক হোটেল তাজবিনে তিনিসহ বরগুনা থানা পুলিশের একটি দল অভিযান চালিয়ে ইয়াবা সেবনকালে সেবনের সরঞ্জামাদিসহ তাদের আটক করা হয়। এ ঘটনায় মাদক সেবনের অপরাধে বরগুনা থানার এসআই মো. মোশাররফ হোসেন বাদী হয়ে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন ২০১৮ এর ধারায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে তাদের বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করেন। এর পর তাদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা