kalerkantho

সোমবার । ২৬ শ্রাবণ ১৪২৭। ১০ আগস্ট ২০২০ । ১৯ জিলহজ ১৪৪১

শিশু হত্যার অভিযোগে কিশোরী গ্রেপ্তার

নাটোর প্রতিনিধি    

১০ জুলাই, ২০২০ ২১:০৬ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



শিশু হত্যার অভিযোগে কিশোরী গ্রেপ্তার

নাটোরের গুরুদাসপুরে ৫ বছরের এক শিশুকে হত্যার অভিযোগে এক স্কুলছাত্রীকে আটক করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় ওই স্কুলছাত্রী সোনালী খাতুনকে (১৪) আটক করে পুলিশ। আটক স্কুলছাত্রী মশিন্দা শিকারপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণির ছাত্রী এবং মশিন্দা চরপড়া গ্রামের দেরেশ সরদারের মেয়ে।

এর আগে গত ২৯ জুন নিখোঁজ হয় প্রতিবেশী শহিদুল ইসলামের ৫ বছরের মেয়ে ফাতেমা। ওই দিনই বাড়ির পাশে পুকুর থেকে শিশুটির মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়। এঘটনায় হত্যার অভিযোগে মামলা হলে পুলিশ সোনালীকে আটক করে।

ফাতেমার পরিবার ও গ্রামবাসী সুত্রে জানা যায়, জমি নিয়ে ফাতেমার বাবা শহিদুল ইসলামের সাথে সোনলীর বাবা দেরেশ সরদারের মনমালিন্য ছিল। তবে ছোট শিশু ফাতেমাকে সবাই আদর করত। গত ২৯ জুন বেলা ৪টার দিকে শিশু ফাতেমাকে যখন তার বাবা-মা খুঁজে পাচ্ছিল না। এসময় প্রতিবেশীদের অনেকেই জানান, ফাতেমাকে সোনালীর সাথে যেতে দেখেছেন। শিশুটির মা মিনারা বেগম সোনালীর কাছে মেয়ের কথা জিজ্ঞেস করলে সে অসংলগ্ন উত্তর দেয়। এতে তার প্রতি সন্দেহ হয় শিশুটির পরিবারের।

পরে পুকুরে শিশুটির জুতা ভাসতে দেখে পরে তার লাশ উদ্ধার করা হয়। মৃত্যুর চারদিন পর শিশুর পিতা শহিদুল ইসলাম জানতে পারেন তাঁর শিশু কন্যাকে হত্যা করা হয়েছে।

শহিদুল ইসলাম জানান, তাঁর প্রতিবেশী বাকী হোসেনের মেয়ে আখি খাতুন (১২) এবং অভিযুক্ত সোনালী খাতুন (১৪) দুজন ঘনিষ্ঠ বান্ধবী। যার সুবাদে আখিকে সোনালী বলে আমি ফাতেমাকে মেরেছি। এমন কথা থেকেই আমরা জানতে পারি আমাদের মেয়েকে হত্যা করা হয়েছে।

এ ঘটনায় শিশুটির বাবা শহিদুল ইসলাম বাদী হয়ে তিনজনের নামে হত্যা মামলা দায়ের করেছেন। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় অভিযুক্ত কিশোরী সোনালীকে আটক করে থানায় নিয়ে আসে পুলিশ। পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে সোনালী জানায়  দুর্ঘটনা বসত শিশুটি তার হাত থেকে পুকুরে পড়ে মারা গেছে বলে স্বীকার করে। 

এ বিষয়ে গুরুদাসপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মোজাহারুল ইসলাম বলেন, একটি হত্যা মামলা হয়েছে। অভিযুক্ত সোনালীকে আদালতের মাধ্যমে শুক্রবার নাটোর জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে তদন্ত চলছে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা