kalerkantho

শনিবার । ২৪ শ্রাবণ ১৪২৭। ৮ আগস্ট  ২০২০। ১৭ জিলহজ ১৪৪১

প্রেম করে বিয়ের ৭ মাস পরই মিলল তরুণীর ঝুলন্ত লাশ

সীতাকুণ্ড (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি   

১০ জুলাই, ২০২০ ০৫:৩৮ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



প্রেম করে বিয়ের ৭ মাস পরই মিলল তরুণীর ঝুলন্ত লাশ

প্রতীকী ছবি

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে প্রেম করে পালিয়ে বিয়ে করার ৭ মাস পর জান্নাতুল ফেরদৌস জলি (২০) নামক এক তরুণীর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় বৃহস্পতিবার দুপুরে নিহত তরুণীর বাবা বাদী হয়ে থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করলে পুলিশ অভিযুক্ত আসামি মেয়েটির স্বামীকে গ্রেপ্তার করেছে। 

থানায় দায়েরকৃত অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ থানার আলিপুর গ্রামের মো. সাইফুল ইসলাম দীর্ঘদিন ধরে চট্টগ্রামের ডাবলমুরিং থানার আগ্রাবাদ এলাকায় বসবাস করছিলেন। এখানে পরিচয়ের সূত্র ধরে সাইফুলের মেয়ে জান্নাতুল ফেরদৌস জলির সঙ্গে সীতাকুণ্ডের সলিমপুর ইউনিয়নের জঙ্গল ছলিমপুর ছিন্নমূল লোকমানের খামার এলাকার মৃত মাহাবুব আলমের ছেলে মো. তুহিন ইসলামের (২৪) প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে।

এক পর্যায়ে গত ৭ মাস আগে জলি অবিভাবকদের না জানিয়ে গোপনে ৩ লাখ টাকা কাবিনে তুহিনকে বিয়ে করে। পরবর্তীতে বিষয়টি জানাজানি হয়। কিন্তু বিয়ের পর থেকেই তার স্বামী বিভিন্ন অজুহাতে তাকে নির্যাতন করতে থাকে। গত ৭ জুলাই রাত ১১টার দিকে জলি তার বাবাকে ফোন করে জানায়, তার স্বামী তুহিন তাকে মারধর করছে। এরপর ভোর আনুমানিক ৫টায় মেয়ের জাল রুপা বেগম ফোন করে জানান, জলি স্বামীর ঘরে গলায় ফাঁস দিয়েছে। এরপর তিনি আত্মীয় স্বজনদের সঙ্গে নিয়ে গলায় ওড়না দেওয়া অবস্থায় মেয়ের ঝুলন্ত লাশ দেখতে পান।

পরে পুলিশে খবর দিলে পুলিশ লাশটি উদ্ধার করে নিয়ে যান। বৃহস্পতিবার সকালে জলির বাবা সাইফুল ইসলাম বাদী হয়ে সীতাকুণ্ড থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। এতে তিনি অভিযোগ করেন যে তার মেয়েকে তার স্বামী তুহিন নির্যাতন করে হত্যার পর ঘটনা ভিন্নখাতে প্রবাহিত করতে গলায় ফাঁস লাগিয়ে ঝুলিয়ে দেয়। এদিকে মামলা দায়েরের পর পুলিশ অভিযুক্ত তুহিন ইসলামকে গ্রেপ্তার করেছে। 

সীতাকুণ্ড থানার ওসি (তদন্ত) সুমন বণিক জানান, এ ঘটনায় নিহত জান্নাতুল ফেরদৌস জলির বাবা সাইফুল ইসলাম বাদী হয়ে মামলা দায়ের করার পর আমরা অভিযুক্ত তুহিন ইসলামকে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠিয়েছি।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা