kalerkantho

শুক্রবার । ২৩ শ্রাবণ ১৪২৭। ৭ আগস্ট  ২০২০। ১৬ জিলহজ ১৪৪১

কিশোরীকে ধর্ষণ-গর্ভপাত, ইউপি সদস্যসহ গ্রেপ্তার ৪

নিজস্ব প্রতিবেদক, নোয়াখালী   

১০ জুলাই, ২০২০ ০৪:০৬ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



কিশোরীকে ধর্ষণ-গর্ভপাত, ইউপি সদস্যসহ গ্রেপ্তার ৪

নোয়াখালীর বেগমগঞ্জে বিয়ের প্রলোভনে এক দিনমজুরের কিশোরী মেয়েকে (১৭) ধর্ষণ করে অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার পর গর্ভপাত করে ভ্রুণ হত্যার অভিযোগে থানায় মামলা হয়েছে। এ ঘটনায় এক ইউপি সদস্য, নারী পল্লী চিকিৎসকসহ চারজনকে আটক করেছে।

বৃহস্পতিবার রাতে এ ঘটনায় ভুক্তভোগী কিশোরীর মা বাদী হয়ে বেগমগঞ্জ থানায় এ মামলা দায়ের করেন। পরে তাৎক্ষণিক পুলিশ অভিযুক্ত একজন ইউপি সদস্য, এক নারী চিকিৎসকসহ চারজনকে গ্রেপ্তার করে।

গ্রেপ্তারকৃতরা হচ্ছে- হোমিও চিকিৎসক জেসমিন আক্তার, ইউপি সদস্য মুকবুল আহম্মদ, কমল সিংহ ও  ফারুক হোসেন।

তবে অভিযুক্ত ধর্ষক কাউসার আহমদ ওরফে হামিদ (২৮) পলাতক রয়েছে। সে পেশায় একজন পল্লী চিকিৎসক এবং একই ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের রহম সর্দারবাড়ির আলী আকবর ব্যাপারীর ছেলে।

মামলার অভিযোগে জানা যায়, উপজেলার দুর্গাপুর ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের পল্লী চিকিৎসক হামিদ ওই কিশোরী মেয়েকে বিয়ের প্রলোভনে একাধিকবার ধর্ষণ করলে ওই কিশোরী ২৯ সপ্তাহের অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়ে। পরে গত (৪ জুলাই) কাউসার ওই কিশোরীকে তার সহযোগী কমল সিংহের মাধ্যমে চৌমুহনীর কলেজ রোডের নারী হোমিও চিকিৎসক জেসমিন আক্তারের বাসায় নিয়ে ওষুধের মাধ্যমে গর্ভের শিশুটির ভ্রুণ হত্যা করে এবং গর্ভপাত ঘটায়।

পরে বিষয়টি ওই কিশোরী তার মাকে অবহিত করলে তিনি স্থানীয়দের বিষয়টি জানান। ঘটনাটি নিয়ে স্থানীয়ভাবে সালিসের মাধ্যমে মীমাংসার চেষ্টা চালান ফারুকসহ কয়েকজন। কিন্তু মীমাংসা না করে বিষয়টি নিয়ে ফারুকসহ বাকিরা টালবাহানা করলে কিশোরীর মা বাদী হয়ে থানায় মামলা দায়ের করেন। 

বেগমগঞ্জ মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) ইকবাল বাহার চৌধুরী ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, এ ঘটনায় কিশোরীর মা বৃহস্পতিবার রাতে মামলা দায়ের করলে পুলিশ স্থানীয় ইউপি সদস্যসহ চারজনকে আটক করে। অভিযুক্ত মূল আসামিসহ অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশ চেষ্টা চালাচ্ছে। গ্রেপ্তারকৃত আসামিদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হবে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা