kalerkantho

রবিবার। ১ ভাদ্র ১৪২৭। ১৬ আগস্ট ২০২০। ২৫ জিলহজ ১৪৪১

নাঙ্গলকোটে স্কুলছাত্রীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ

ধুনটে দুই ভাইয়ের বিরুদ্ধে শিশুকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগ

নাঙ্গলকোট (কুমিল্লা) ও ধুনট (বগুড়া) প্রতিনিধি   

৯ জুলাই, ২০২০ ০২:২৬ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



নাঙ্গলকোটে স্কুলছাত্রীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ

কুমিল্লার নাঙ্গলকোট পৌর সদরের তুলাপুকুরিয়া এলাকায় গত সোমবার দিবাগত রাতে এক স্কুলশিক্ষার্থীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। একই রাতে বগুড়ার ধুনট উপজেলায় এক স্কুলশিক্ষার্থীকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে দুই ভাইয়ের বিরুদ্ধে।

নাঙ্গলকোটে ধর্ষণে অভিযুক্ত ছয়জন হলো—উপজেলার রায়কোট দক্ষিণ ইউনিয়নের মন্তলী গ্রামের মোখলেসুর রহমান মজুমদারের ছেলে সাইমুন (২০), একই ইউনিয়নের শ্যামিরখিল গ্রামের মৎস্য চাষি আব্দুল মান্নানের ছেলে ফয়সাল (২১), মৌকারা ইউনিয়নের তেতৈয়া গ্রামের রাসেল (২০), পৌর এলাকা মান্দ্রা গ্রামের অহিদুর রহমান মোল্লার ছেলে রুবেল (২৩), জোড়পুকুরিয়া গ্রামের আব্দুল কাদেরের ছেলে শিবলু (২২) ও মক্রবপুর গ্রামের চান মিয়ার ছেলে রাসেল (১৯)। অভিযুক্তদের মধ্যে শিবলু ও মক্রবপুরের রাসেলকে গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠিয়েছে পুলিশ। ভুক্তভোগী কিশোরীকে (স্কুলশিক্ষার্থী) মেডিক্যাল পরীক্ষার জন্য কুমিল্লা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এ ব্যাপারে কিশোরী নাঙ্গলকোট থানায় মামলা করেছে।

স্থানীয় ও মামলা সূত্রে জানা যায়, ফয়সালের সঙ্গে ওই কিশোরীর ছয় মাস ধরে প্রেমের সম্পর্ক চলছে। বিষয়টি কিশোরীর বড় বোন জানতে পেরে তাকে শাসনের চেষ্টা করেন। পরে সে বোনের সঙ্গে বাগিবতণ্ডা করে পরিবারের কাউকে না জানিয়ে গত বৃহস্পতিবার ফয়সালের সঙ্গে তার (ফয়সাল) চাচাতো বোন মুক্তার ঢাকার বাসায় গিয়ে অবস্থান করে। ফয়সাল কিশোরীকে ঢাকায় রেখে চলে আসে নাঙ্গলকোটে। পরে মুক্তার বাসা থেকে ফয়সালের সঙ্গে ফোনে কথা বলে এনা পরিবহনের বাসে করে সোমবার বিকেলে চৌদ্দগ্রাম উপজেলা সদরে আসে কিশোরী। সেখান থেকে ফয়সালের বন্ধু রুবেল ও তেতৈয়ার রাসেল কিশোরীকে নিয়ে নাঙ্গলকোটের বাঙ্গড্ডা বাজারের থ্রিস্টার রেস্টুরেন্টে আসে। সেখানে আরেক রাসেল, শিবলু, সাইমুন ও ফয়সাল একত্র হয়। পরে তারা ছয়জন কিশোরীকে নাঙ্গলকোট-মাহিনী সড়কের তুলাপুকুরিয়ায় বিল্লালের টিনশেড ঘরে নিয়ে ধর্ষণ করে। বিষয়টি স্থানীয় লোকজনের মাধ্যমে নাঙ্গলকোট থানা পুলিশ জানতে পেরে ঘটনাস্থলে গেলে অভিযুক্ত চারজন পালিয়ে যায়। আর শিবলু ও মক্রবপুরের রাসেলকে আটক করে পুলিশ।

বগুড়ার ধুনটে স্কুলশিক্ষার্থী শিশু ধর্ষণে অভিযুক্ত দুজন হলো উপজেলার চৌকিবাড়ি ইউনিয়নের রুদ্রবাড়িয়া গ্রামের আব্দুল মজিদের ছেলে ফজল সেখ (২৪) ও তাঁর কিশোর ছেলে (১৬)। নির্যাতিত শিশুটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। এ ঘটনায় শিশুটির বাবা গত মঙ্গলবার রাতে অভিযুক্ত দুজনের বিরুদ্ধে ধুনট থানায় ধর্ষণের মামলা করেছেন। অভিযুক্ত কিশোরকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। থানার ওসি কৃপা সিন্ধু বালা বলেন, কিশোরটি প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ধর্ষণের কথা স্বীকার করেছে। তাকে গতকাল বুধবার আদালতের মাধ্যমে বগুড়া জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা