kalerkantho

শুক্রবার । ২৩ শ্রাবণ ১৪২৭। ৭ আগস্ট  ২০২০। ১৬ জিলহজ ১৪৪১

চাঁদপুরে সেন্ট্রাল অক্সিজেন প্ল্যান্ট স্থাপনের কাজ শুরু

চাঁদপুর প্রতিনিধি   

৫ জুলাই, ২০২০ ২২:০৩ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



চাঁদপুরে সেন্ট্রাল অক্সিজেন প্ল্যান্ট স্থাপনের কাজ শুরু

চাঁদপুরে সেন্ট্রাল অক্সিজেন প্ল্যান্ট স্থাপনের কাজ শুরু হয়েছে। ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট চাঁদপুর জেনারেল হাসপাতালে এই প্ল্যান্ট স্থাপন হচ্ছে। মূলত কভিড-১৯ আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসা দিতে এটি স্থাপনে সার্বিক সহযোগিতা দিচ্ছে, ভাষাবীর এম এ ওয়াদুদ মেমোরিয়াল ট্র্যাস্ট। সেন্ট্রাল অক্সিজেন প্ল্যান্ট স্থাপনের টেকনিক্যাল টিম এবং ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান স্পেকট্রা ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেডের কর্মকর্তারা রবিবার বিকেলে হাসপাতাল পরিদর্শন করেন।

প্রতিষ্ঠানটির এ জি এম ইঞ্জিনিয়ার জাহাঙ্গীর আলম ও সাইট ইঞ্জিনিয়ার সাইফ চৌধুরী হাসপাতালের আইসোলেশন ওয়ার্ডের বাইরে থেকে পরিদর্শন করেন এবং তৃতীয় তলায় যে দুটি কেবিন কভিড রোগীদের জন্য বরাদ্দ থাকবে সেগুলোও দেখেন। একইসঙ্গে হাসপাতালের পূর্ব পাশের নীচতলায় গাইনি ওয়ার্ডের একটি অংশও তাঁরা দেখেন। যেখানে অক্সিজেন প্ল্যান্টের সিলিন্ডারসহ মেশিনপত্র সবকিছু থাকবে এবং এখান থেকেই অক্সিজেন সাপ্লাই হবে।

সময় উপস্থিত ছিলেন চাঁদপুরের সিভিল সার্জন ডা. মো. সাখাওয়াত উল্লাহ, চাঁদপুর মেডিক্যাল কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর ডা. জামাল সালেহ উদ্দিন আহমেদ, হাসপাতালের সহকারী পরিচালক ও ভারপ্রাপ্ত তত্ত্বাবধায়ক ডা. এ কে এম মাহবুবুর, আবাসিক সার্জন ও জেলা বিএমএ’র সাধারণ সম্পাদক ডা. মাহমুদুন্নবী মাসুম এবং হাসপাতালের আরএমও ও করোনাভাইরাস বিষয়ে ফোকালপার্সন ডা. এএইচএম সুজাউদ্দৌলা রুবেল, চাঁদপুর প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক এএইচএম আহসান উল্লাহ। 

উল্লেখ্য, এই সেন্ট্রাল অক্সিজেন প্ল্যান্টটি ভাষাবীর এমএ ওয়াদুদ মেমোরিয়াল ট্রাস্টের সহযোগিতায় করা হচ্ছে। স্পেকট্রার এজিএম ইঞ্জিনিয়ার জাহাঙ্গীর আলম জানান, সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে আগামী পাঁচদিনের মধ্যে ইনশাআল্লাহ পুরো কাজ শেষ করা সম্ভব হবে। আর তখন থেকেই আইসোলেশন ওয়ার্ডে রোগীদের প্রয়োজন সাপেক্ষে হাই ফ্লো অক্সিজেন সরবরাহ করা যাবে।

আর এর দ্বারা কোভিড অথবা নন-কভিড রোগীদের মধ্যে যারা প্রয়োজনীয় অক্সিজেনের অভাবে মারা যেতেন সেটা আর হবে না। এই হাই ফ্লো অক্সিজেনে প্রতি রোগীকে ঘণ্টায় ৭০ থেকে ৮০ লিটার অক্সিজেন দেওয়া যাবে। তবে বর্তমান ব্যবস্থাপনায় দেওয়া যাচ্ছে ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ১৫ থেকে ২০ লিটার। 

এদিকে, জেলা সিভিল সার্জন জানান, করোনা পরিস্থিতির পরও সেন্ট্রাল অক্সিজেন প্ল্যান্ট মুমূর্ষু অন্য রোগীদের জীবন রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
 
অন্যদিকে, রবিবার পর্যন্ত চাঁদপুরে করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছে ১ হাজার ৪৩ জন এবং এর মধ্যে মারা গেছেন ৬২ জন। আর করোনার উপসর্গ নিয়ে মারা গেছেন আরো ৯০ জন।

প্রসঙ্গত, শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি এবং দেশের বিশিষ্ট চিকিৎসক জেআর ওয়াদুদ টিপুর বাবা ছিলেন ভাষাবীর এমএ ওয়াদদু। তাদের প্রয়াত বাবার নামে যে ট্র্যাস্ট সেই দাতব্য সংগঠনের সহযোগিতা নিয়েই ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট চাঁদপুর জেনারেল হাসপাতালে এই প্ল্যান্ট স্থাপন হচ্ছে। 

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা