kalerkantho

শনিবার । ২৪ শ্রাবণ ১৪২৭। ৮ আগস্ট  ২০২০। ১৭ জিলহজ ১৪৪১

৯ মাসেও মেলেনি স্থায়ী উপাচার্য, নেই উপ-উপাচার্য-কোষাধ্যক্ষ

বশেমুরবিপ্রবি প্রতিনিধি   

৫ জুলাই, ২০২০ ১৬:২৩ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



৯ মাসেও মেলেনি স্থায়ী উপাচার্য, নেই উপ-উপাচার্য-কোষাধ্যক্ষ

গোপালগঞ্জের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (বশেমুরবিপ্রবি) দীর্ঘ নয় মাস যাবৎ নেই স্থায়ী উপাচার্য। গত বছরের ৩০ সেপ্টেম্বর সাবেক উপাচার্য খোন্দকার নাসিরউদ্দিনের পদত্যাগের পর প্রায় ৯ মাস বিশ্ববিদ্যালয়ের ইলেকট্রনিক অ্যান্ড টেলিকমিউনিকেশন ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. মো. শাহজাহান উপাচার্যের রুটিন দায়িত্ব পালন করছেন। এদিকে বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার ১০ বছর পরেও অজানা কারণে নিয়োগ হয়নি উপ-উপাচার্য, ট্রেজারার পদে।

বিশ্ববিদ্যালয়ে শূন্য রয়েছে প্রধান চিকিৎসা কর্মকর্তা, অর্থ ও হিসাব দপ্তরের পরিচালক, একুশে ফেব্রুয়ারি লাইব্রেরির লাইব্রেরিয়ান এবং ইঞ্জিনিয়ারিং অনুষদের ডিনের পদ। রেজিস্ট্রারসহ চারটি অনুষদের ডিনপদে নিয়োগকৃতদের সকলেই আছেন চুক্তিভিত্তিক।

বিশ্ববিদ্যালয় বারো হাজার শিক্ষার্থীদের জন্য নাই পর্যাপ্ত ক্লাসরুম, ল্যাব ও আবাসন সুবিধা। শিক্ষার্থীরা জানান, ৩৪ টি বিভাগের মধ্যে অন্তত ২০টি বিভাগের ক্লাসরুম সংকট রয়েছে এবং ১০টি বিভাগের ল্যাব সংকট রয়েছে। বর্তমানে বিশ্ববিদ্যালয়ের মাত্র ১৬ শতাংশ শিক্ষার্থী আবাসন সুবিধা পান। এ ছাড়া বিশ্ববিদ্যালয় রয়েছে শিক্ষক সংকট। ২৯টি বিভাগে নেই অধ্যাপক। তিনটি বিভাগ এবং একটি ইনস্টিটিউটের নেই নিজস্ব কোনো শিক্ষক। অন্য বিভাগের শিক্ষকের মাধ্যমেই চলছে এসকল বিভাগ ও ইনিস্টিউটের শিক্ষা কার্যক্রম। এর পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয়ের অবকাঠামো নিয়ে রয়েছে অসন্তুষ্টি।

বিশ্ববিদ্যালয় সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে আইন বিভাগের শিক্ষার্থী সুকান্ত সরকার জানান, বিশ্ববিদ্যালয় নানা সমস্যায় জর্জরিত, এই সমস্যা থেকে বের হয়ে আসতে একজন স্থায়ী ভিসির প্রয়োজন।

এদিকে বিশ্ববিদ্যালয় বর্তমানের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা মনে করেন সুযোগ সুবিধা নিশ্চিত না করেই একের পর এক নতুন বিভাগ খোলা এবং আসন সংখ্যা বৃদ্ধির ফলেই এসব সংকট তৈরি হয়েছে। এ ছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের এই নাজুক অবস্থা সৃষ্টির জন্য দায়ী করছেন সাবেক উপাচার্যের অপরিকল্পিত এবং স্বৈরাচারী সিদ্ধান্তকেই।

রেজিস্ট্রার ড. নূরউদ্দিন আহমেদ বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম থেকেই বেশিরভাগ পদেই চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দেওয়া হয়েছিলো। স্থায়ী উপাচার্য নিয়োগ দেওয়ার পর হয়তো এসকল বিষয়ের সমাধান হবে। তিনি আরো বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় ও শিক্ষার্থীদের প্রয়োজনে উপ-উপাচার্য ও ট্রেজারার একান্ত প্রয়োজন।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা