kalerkantho

শনিবার । ২৪ শ্রাবণ ১৪২৭। ৮ আগস্ট  ২০২০। ১৭ জিলহজ ১৪৪১

গম নিয়ে গমগম শহর

আদমদীঘি (বগুড়া) প্রতিনিধি   

৫ জুলাই, ২০২০ ১৬:০৬ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



গম নিয়ে গমগম শহর

বগুড়ার আদমদীঘির সান্তাহার সাইলো থেকে কাবিখার বরাদ্দ করা ১৪৪ মেট্রিক টন গম উত্তোলন করে আত্মসাৎ করা হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় জনপ্রতিনিধিদের জন্য বরাদ্দ গমগুলো নিজের হেফাজতে নেন ইউএনও।

জানা গেছে, কাবিখা ও বিশেষ কাবিখার বরাদ্দকৃত ১২টি ডিও লেটারের মাধ্যমে ১৪৩.০৩৯ মেট্রিক টন গম আদমদীঘির জনপ্রতিনিধিদের জন্য বরাদ্দ দেওয়া হয়। প্রকল্পের কাজের জন্য গমগুলো সাইলো থেকে শনিবার রাতে আদমদীঘি উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মাহামুদুর রহমান পিন্টুর নামে ৭০ মেট্রিক টন, সান্তাহার ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এরশাদুল হক টুলুর নামে ৫১.২৯৫ মেট্রিক টন, আদমদীঘি সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জিল্লুর রহমান একরামুলের নামে ১৬.১৪০ মেট্রিক টন ও নশরতপুর ইউনিয়নের গোলাম রাব্বানীর নামে ৫.৬০৪ মেট্রিক টন উত্তোলন করা হয়। তবে গমগুলো গত ৩০ জুনের মধ্যে উত্তোলন করার কথা থাকলেও তা ৪ জুলাই রাতে উত্তোলন করায় জনমনে সন্দেহের সৃষ্টি হয়।

সান্তাহার সাইলো কর্মকর্তা ফয়জুল্লাহ খান শিবলী বলেন, জুন মাসে মালামাল আদান-প্রদানে চাপ বৃদ্ধি পাওয়ায় গমগুলো সরবরাহ করতে বিলম্ব হয়। বিকেল থেকে ১৪৪ মেট্রিক টন গম ট্রাক বোঝাই করতে সন্ধ্যা হয়ে যায়, ফলে সাইলো থেকে গাড়িগুলো বের হতে রাত হয়ে যায়।

আদমদীঘি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এ কে এম আব্দুল্লাহ বিন রশিদ জানান, খবর পেয়ে রাতেই মালামালগুলো হেফাজতে নেওয়া হয়। জনপ্রতিনিধিদের দেওয়া প্রকল্পের অর্ধেক কাজ এরই মধ্যে শেষ হওয়ায় বরাদ্দকৃত গমের ৫০ ভাগ তাঁদের দেওয়া হয়। প্রকল্পের বাকি কাজ সম্পন্ন হলে অবশিষ্ট গম দেওয়া হবে। প্রকল্পের কাজ না করে কেউ এক ছটাক গমও আত্মসাৎ করতে পারবে না।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা