kalerkantho

শুক্রবার । ৩০ শ্রাবণ ১৪২৭। ১৪ আগস্ট ২০২০ । ২৩ জিলহজ ১৪৪১

কমছে যমুনার, বাড়ছে বাঙালি নদীর পানি

ধুনট (বগুড়া) প্রতিনিধি   

৪ জুলাই, ২০২০ ১৬:৫৩ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



কমছে যমুনার, বাড়ছে বাঙালি নদীর পানি

বগুড়ায় যমুনা নদীর পানি কমে বিপৎসীমার ৪৮ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। অতিবর্ষণ ও উজান থেকে নেমে আসা ঢলে জেলার সারিয়াকান্দি পয়েন্টে যমুনা নদীতে পানি বেড়ে বিপৎসীমার ৬৭ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়েছিল। তবে গত ২৪ ঘণ্টার হিসাব অনুযায়ী যমুনা নদীর পানি ৬ সেন্টিমিটার কমেছে। অন্যদিকে বাঙালি নদীর পানি বেড়ে বিপৎসীমার ৭০ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। পানি বৃদ্ধির ফলে এবার বাঙালি নদীতীরবর্তী মানুষের মধ্যে বন্যা আতঙ্ক দেখা দিয়েছে। শনিবার বিকেল ৩টার দিকে এ বিষয়টি কালের কণ্ঠকে নিশ্চিত করেন বগুড়া জেলা পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) নির্বাহী প্রকৌশলী মাহবুবুর রহমান।

জানা গেছে, পানি বেড়ে যমুনা নদীর অববাহিকায় চরের গ্রামগুলো জলাবদ্ধ হয়ে পড়েছে। বন্যাকবলিত লোকজন অনেকে পাকা স্কুল, সড়ক, বাঁধ ও উঁচু স্থানে আশ্রয় নিয়েছে। দেখা দিয়েছে গো-খাদ্যের সংকট। যমুনা নদীর পানি বাড়ার কারণে সারিয়াকান্দি, সোনাতলা ও ধুনট উপজেলার ১৪টি ইউনিয়নের শতাধিক গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। বন্যাদুর্গত এলাকায় পাট, ধানসহ ফসলি জমি পানিতে তলিয়ে গেছে। 

যমুনা নদীর পানির প্রবল স্রোতে ভাঙন দেখা দিয়েছে। ভাঙনের কবলে এর মধ্যে সারিয়াকান্দি উপজেলার ৪ শতাধিক বাড়ি-ঘর অন্য স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে, এ ছাড়া উপজেলার বহুলাডাঙা কমিউনিটি ক্লিনিক, আউচারপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও কাকালিহাতা জামে মসজিদ নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে।  

বগুড়া জেলা পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) নির্বাহী প্রকৌশলী মাহবুবুর রহমান জানান, যমুনা নদীতে বিপৎসীমা নির্ধারণ করা হয় ১৬ দশমিক ৭০ সেন্টিমিটার। শনিবার বিকেল ৩টার হিসাব অনুযায়ী নদীর পানি ১৭ দশমিক ১৮ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। অর্থাৎ বিপৎসীমার দশমিক ৪৮ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে পানি প্রবাহিত হচ্ছে; কিন্তু পানির উচ্চতা আগের দিনের চেয়ে ৬ সেন্টিমিটার কমেছে।

তিনি জানান, বাঙালি নদীতে বিপৎসীমা নির্ধারণ করা হয় ১৫ দশমিক ৮৫ সেন্টিমিটার। বর্তমানে এ নদীর পানি ১৫ দশমিক ১৫ সেন্টিমিটার দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। অর্থাৎ বিপৎসীমার দশমিক ৭০ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে পানি প্রবাহিত হচ্ছে; কিন্তু তা ক্রমাগত বাড়ছে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা