kalerkantho

শনিবার । ২৪ শ্রাবণ ১৪২৭। ৮ আগস্ট  ২০২০। ১৭ জিলহজ ১৪৪১

আশুগঞ্জের ওসির অপসারণ দাবি সাত ইউপি চেয়ারম্যানের

ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি   

৪ জুলাই, ২০২০ ১৬:৩৩ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



আশুগঞ্জের ওসির অপসারণ দাবি সাত ইউপি চেয়ারম্যানের

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জ থানার ওসি জাবেদ মাহমুদের অপসারণ দাবি করেছেন সেখানকার সাতটি ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান। শনিবার ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেস ক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে ওই সাত চেয়ারম্যান উপস্থিত থেকে ওসির অপসারণ দাবি করেন।

চেয়ারম্যানদের অভিযোগ, জাবেদ মাহমুদ সাত-আট মাস আগে যোগদান করার পর থেকেই মাদক, জুয়া, ছিনতাইসহ নানা ধরনের অপরাধ কর্মকাণ্ড বেড়ে গেছে। সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে একাধিক জনপ্রতিনিধি ওসির অসদাচরণের শিকার হয়েছেন। এর আগে ওই সাতজন চেয়ারম্যান সেখানকার উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মো. হানিফ মুন্সীর বিরুদ্ধে অনাস্থা এনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে স্থানীয় সরকার মন্ত্রী বরাবর লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। প্রকল্প বিষয়ে কথা বলাকে কেন্দ্র করে হানিফ মুন্সী অসদাচরণ করেন বলে অভিযোগ করা হয়।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. সালাহউদ্দিন, উপজেলার চর-চারতলা ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান জিয়াউদ্দিন খন্দকার, দুর্গাপুর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান জিয়াউল করিম খান সাজু, তালশহর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান হাজি আবু শ্যামা, আড়াইসিধা ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মো. সেলিম মিয়া, শরীফপুর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান সাইফউদ্দিন চৌধুরী, তারুয়া ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মুক্তিযোদ্ধা মো. ইদ্রিস। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে সদর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মো. সালাউদ্দিন। আশুগঞ্জের আটটি ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যানের মধ্যে শুধু লালপুর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন না।

লিখিত বক্তব্যে মো. সালাহউদ্দিন অভিযোগ করেন, সম্প্রতি আশুগঞ্জ উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান হানিফ মুন্সীর বিরুদ্ধে কয়েক কোটি টাকার বালু লোপাটের সংবাদ গণমাধ্যমে প্রকাশ পেলে ২ জুলাই স্থানীয় এক সাংবাদিকের বাড়িতে যান। এ সময় বিষয়টি জানতে চাইলে ওসি তাঁকে অকথ্য ভাষায় গালাগাল করেন। ওসি তাকে গ্রেপ্তার করে থানায় নিয়ে যেতে চাইলে স্থানীয় লোকজনের বাধার মুখে ফিরে আসেন।

তবে আশুগঞ্জ থানার ওসি জাবেদ মাহমুদ অবশ্য সাংবাদিকদের কাছে এসব অভিযোগ অস্বীকার করেন। তিনি জানান, ফেসবুকে উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যানসহ আওয়ামী লীগের কয়েক নেতার বিরুদ্ধে অশোভন ভাষায় লেখালেখির অভিযোগে সাংবাদিক আশেকুর রহমান রনির বিরুদ্ধে গত ২ জুলাই আশুগঞ্জ থানায় ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা করেন চেয়ারম্যানের ভাই জাহাঙ্গীর আলম। আসামিকে গ্রেপ্তারে বাধা দিচ্ছে খবর পেয়ে সেখানে যাওয়ার পর চেয়ারম্যান তাঁর সঙ্গে অশোভন আচরণ করেন। তিনি জানান, মাদক ও জুয়ার বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করা হয়েছে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা