kalerkantho

শুক্রবার । ২৩ শ্রাবণ ১৪২৭। ৭ আগস্ট  ২০২০। ১৬ জিলহজ ১৪৪১

ধর্ষণের ঘটনা ৫০ হাজার টাকায় মীমাংসার চেষ্টা! অবশেষে মামলা

স্বরূপকাঠি (পিরোজপুর) প্রতিনিধি   

৩ জুলাই, ২০২০ ১৫:৫০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



ধর্ষণের ঘটনা ৫০ হাজার টাকায় মীমাংসার চেষ্টা! অবশেষে মামলা

পিরোজপুরের স্বরূপকাঠিতে এক মাদরাসা ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা রজু করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার বিকেলে নেছারাবাদ (স্বরূপকাঠি) থানায় ধর্ষিতার বাবা দ্বীন ইসলাম শেখ বাদী হয়ে ধর্ষক খায়রুল ও তার দুই সহযোগিকে আসামি করে নারী ও শিশু নির্যাতন আইনে ওই মামলা দায়ের করেন। পুলিশ ধর্ষিতার ডাক্তারি পরিক্ষার জন্য পিরোজপুর সিভিল সার্জন অফিসে পাঠিয়েছে।

মামলা সূত্রে জানা যায়, উপজেলার সারেংকাঠি ইউনিয়নের উত্তর করফা গ্রামের হতদরিদ্র পরিবারের নবম শ্রেণির ওই মাদরাসাছাত্রী লেখাপড়ার পাশাপাশি প্রতিবেশী সাইদুলের বাসায় কাজ করত। সাইদুলের ব্যবসায়ী পার্টনার খায়রুল তাকে প্রায়ই কু প্রস্তাব দিত। বিষয়টি সাইদুলের স্ত্রী নাসরিনকে ওই ছাত্রী জানালে তিনিও খাইরুলের পক্ষ নিয়ে তাকে বিভিন্ন প্রকার প্রলোভন দেখাত। ঘটনার দিন নাসরিন তার স্বামী বাড়ি নেই বলে ওই ছাত্রীকে তার কাছে থাকার জন্য বলেন। ছাত্রীটি রাজি হয়ে ওই বাড়ি গেলে সেখানে খাইরুলকে দেখেতে পায়। খাইরুল একপর্যায়ে ছাত্রীটিকে বাগানে নিয়ে হাত-পা বেঁধে জোর পূর্বক ধর্ষণ করে। 

পরে তাকে বিয়ের খাইরুল বিয়ে করবে বলে আশ্বাস দেয় গৃহকর্তী নাসরিন। এদিকে নাসরিন ও তার স্বামী সাইদুল বিষয়টি নিয়ে খাইরুলকে ব্লাক মেইল করে টাকাও নিয়েছে বলে জানা গেছে। পরে বিষয়টি জানাজানি হলে এলাকার জনপ্রতিনিধিরা মীমাংসার নামে দুই মাস সময় অতিবাহিত করেন। বারবার বৈঠক করে গত ২৭ জুন ৫০ হাজার টাকা নিয়ে মীমাংসা হয়ে যাওয়ার জন্য বলেন। ছাত্রীর পরিবার তাতে রাজি না হওয়ায় পরিবারকে হুমকি দিচ্ছেন বলে অভিযোগ করেছে ভুক্তভূগীরা।

মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. কামরুজ্জামান তালুকদার বলেন, একটি ধর্ষণের ঘটনা মীমাংসা করা বেআইনি। ভিকটিমকে মেডিক্যাল পরিক্ষার জন্য জেলা সদরে পাঠানো হয়েছে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা