kalerkantho

শুক্রবার । ২৩ শ্রাবণ ১৪২৭। ৭ আগস্ট  ২০২০। ১৬ জিলহজ ১৪৪১

কুড়িগ্রামে ধরলায় ফের পানি বাড়ছে

সার্বিক বন্যা পরিস্থিতি অপরিবর্তিত

কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি   

৩ জুলাই, ২০২০ ০৯:৩৪ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



কুড়িগ্রামে ধরলায় ফের পানি বাড়ছে

কুড়িগ্রামে ব্রহ্মপুত্রের পানি ধীরে ধীরে কমলেও ধরলা নদীর পানি আবার বাড়তে থাকায় সার্বিক বন্যা পরিস্থিতি অপরিবর্তিত রয়েছে। শুক্রবার সকালে ধরলা নদীর পানি বিপৎসীমার ৪৫ ও ব্রহ্মপুত্রের পানি বিপৎসীমার ৪৭ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

হাজার হাজার ঘরবাড়ি এখনো ডুবে আছে বন্যার পানিতে। জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, জেলার ৫৬টি ইউনিয়নের ৫৭৯টি গ্রাম বন্যার পানিতে নিমজ্জিত রয়েছে। প্রায় ১৬ হাজার ঘরবাড়ি বন্যার পানিতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। নদী ভাঙনের শিকার হয়েছে পাঁচশতাধিক পরিবার।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, ৭ হাজার ৩শ হেক্টর জমির ফসল বন্যার পানিতে নিমজ্জিত রয়েছে। গত দু’দিন ধরে ভারি বর্ষণের কারণে সড়ক ও বাঁধের ওপর আশ্রিত মানুষের দুর্ভোগ বৃদ্ধি পেয়েছে। শুকনো খাবার, বিশুদ্ধ পানি ও গোখাদ্যের সংকট আরো প্রকট হয়েছে। 

জনপ্রতিনিধিরা জানিয়েছেন, চাহিদামতো বরাদ্দ না পাওয়ায় এখনো সব বন্যার্ত মানুষকে ত্রাণ সহায়তা দেওয়া সম্ভব হয়নি। 

উলিপুরের হাতিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. আবুল হোসেন জানান, তাঁর ইউনিয়নে তিন হাজার মানুষ বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত হলেও এখন পর্যন্ত প্রায় এক হাজার মানুষকে ত্রাণ সহায়তা দেওয়া হয়েছে। বাকিদের জরুরি ভিত্তিতে চালের পাশাপাশি শুকনো খাবার ও বিশুদ্ধ পানি সরবারহ করা দরকার।

জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, এ পর্যন্ত ৩০২ মে. টন চাল ও ৩৮ লাখ ৬৬ হাজার টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে, যা বিতরণের কাজ চলছে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা