kalerkantho

শুক্রবার । ২৩ শ্রাবণ ১৪২৭। ৭ আগস্ট  ২০২০। ১৬ জিলহজ ১৪৪১

ছাতকে জমজমাট শিলং-তীর নামে জুয়ার আসর

ছাতক (সুনামগঞ্জ) প্রতিনিধি   

৩ জুলাই, ২০২০ ০৭:৫৪ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



ছাতকে জমজমাট শিলং-তীর নামে জুয়ার আসর

ফাইল ফটো

ছাতকে প্রকাশ্য দিবালোকে বসছে শিলং তীর নামে ডিজিটাল জুয়া খেলার জমজমাট আসর। গত কয়েক মাস থেকে উপজেলার জনবহুল গোবিন্দগঞ্জ পয়েন্টে  স্থানীয় কতিপয় প্রভাবশালীর ছত্রছায়ায় এসব জুয়ার আসর মহামারির রুপ ধারণ করেছে। ফলে হাজার হাজার লোকজন টাকা-কড়ি হারিয়ে চুরি, ডাকাতি, ছিনতাই ও রাহাজানিসহ নানা অপরাধে জড়িয়ে পড়ছে।  

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ভারতের মেঘালয় রাজ্যের শিলংয়ে উদ্ভাবিত নাম্বার টোকেনের এই খেলায় ১০ টাকায় ৭০০ টাকা পাবার আশায় বাজারে আসা যুবক, ব্যবসায়ী, শ্রমিক ও স্কুল কলেজের কোমলমতি শিক্ষার্থীসহ বিভিন্ন শ্রেণীর লোকজন ডিজিটাল এ জুয়ায় আসক্ত হচ্ছেন।

এলাকার স্থানীয় প্রভাবশালীরা এজেন্ট পরিচালনা করে প্রতিদিন লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছেন। প্রতিদিন সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত এসব এজেন্ট পয়েন্টে বসে জুয়ার আসর। এর মধ্যেই আরেকটি চক্র অধিক মুনাফার লোভে নিজেরাই ভারতীয় শিলংয়ের আদলে ছাতকে গড়ে তুলেছে নতুন আরেকটি শিলং। এই ডিজিটাল জুয়া খেলে পেশাদার জুয়াড়িরাও হচ্ছেন প্রতারিত ও নিঃস্ব। 

জুয়ার টাকা সংগ্রহ করতে আশপাশের এলাকায় চুরি-ডাকাতির প্রবণতা আশংকাজনক হারে বেড়ে গেছে। নাম্বার টোকেনের এই খেলায় ১০ টাকায় ৭০০ টাকা পাবার লোভ সংবরণ করতে না পেরে সাধারণ লোকজন এর প্রতি আসক্ত হচ্ছে বলে জানা গেছে। ফলে এ নিয়ে সচেতন মহলে দেখা দিয়েছে চরম ক্ষোভ ও অসন্তোষ। সমাজের অবক্ষয়রোধে ডিজিটাল এ জুয়া খেলা বন্ধে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করছেন এলাকাবাসী। 

এ ব্যাপারে ছাতক থানার অফিসার ইনচার্জ মোস্তফা কামাল জানান, শিলংয়ের তীর বন্ধে জিরো টলারেন্স অবস্থানে রয়েছেন তারা। তবে এটি একটি সামাজিক সমস্যাও। জনসাধারণকেও এ বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধি করতে হবে। এজন্য প্রশাসনকেও তথ্য দিয়ে সহযোগিতা করা প্রয়োজন।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা