kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ২৯ শ্রাবণ ১৪২৭। ১৩ আগস্ট ২০২০ । ২২ জিলহজ ১৪৪১

নানি-নাতনিসহ জামালপুরে নতুন আরো ১৩ জন করোনায় আক্রান্ত

জামালপুর প্রতিনিধি   

৩ জুলাই, ২০২০ ০৩:৪২ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



নানি-নাতনিসহ জামালপুরে নতুন আরো ১৩ জন করোনায় আক্রান্ত

জামালপুরে এবার করোনায় আক্রান্ত হয়ে হোম আইসোলেশনে থাকা এক গৃহিণীর মেয়ে ও বৃদ্ধা মায়ের করোনা পজিটিভ শনাক্ত হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার জেলায় ওই নানি-নাতনিসহ নতুন করে আরো ১৩ জন করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হয়েছে। সিভিল সার্জন কার্যালয় সূত্র এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।

সূত্র জানায়, বৃহস্পতিবার জামালপুরের শেখ হাসিনা মেডিক্যাল কলেজের পিসিআর ল্যাবের প্রথম রাউন্ডে ৯৪টি নমুনা পরীক্ষায় ১৩ জন করোনার রোগী শনাক্ত হয়েছে। এর মধ্যে জামালপুর সদরে ছয়জন, ইসলামপুরে চারজন, মাদারগঞ্জে দুজন ও বকশীগঞ্জ উপজেলায় একজন রয়েছেন।

জামালপুর সদরে নতুন করে আক্রান্তদের মধ্যে আগে আক্রান্ত একটি বেসরকারি স্বাস্থ্যসেবা সংস্থার নারী কর্মকর্তার এইচএসসি পরীক্ষার্থী মেয়ে (১৮) ও বৃদ্ধ মা (৫৫) রয়েছেন। গত রবিবার করোনা পজিটিভ শনাক্ত হওয়ার পর থেকে ওই নারী কর্মকর্তা শহরের মৃধাপাড়ায় নিজ বাসায় আইসোলেশনে রয়েছেন। তার সংস্পর্শে আসায় তার মা ও মেয়ের নমুনাও ল্যাবে পাঠালে করোনা পজিটিভ আসে। এবার নানি-নাতনিও একই বাসায় আলাদা কক্ষে আইসোলেশনে চিকিৎসাধীন থাকবেন বলে জানিয়েছেন সদরের ইউএইচএফপিও ডা. মো. লুৎফর রহমান।

অপরদিকে বকশীগঞ্জ উপজেলায় কন্ট্যাক্ট ট্রেসিং করে বকশীগঞ্জ পৌরসভার ১৬ জন কর্মকর্তা-কর্মচারীর নমুনা পরীক্ষায় একজন পুরুষ কর্মচারীর করোনা পজিটিভ আসে। 

বকশীগঞ্জের ইউএইচএফপিও ডা. প্রতাপ কুমার নন্দী কালের কণ্ঠকে জানান, বকশীগঞ্জ পৌরসভার একজন নারী কর্মচারীর স্বামী দেওয়ানগঞ্জ উপজেলায় করোনায় আক্রান্ত হলে সেই সন্দেহ থেকে ওই নারী কর্মচারীসহ ১৬ জনের নমুনা সংগ্রহ করা হয়। তাদের মধ্যে ১২ জনের নমুনা পরীক্ষায় ওই একজন পুরুষ কর্মচারীর করোনা পজিটিভ আসে। তবে ওই নারীসহ আরো দুজনের নমুনা ল্যাবে পরীক্ষার অপেক্ষায় রয়েছে।

এছাড়া জেলায় নতুন করে আক্রান্ত অন্যান্যদের মধ্যে ইসলামপুরে বয়স্ক এক দম্পতি, ইসলামী ব্যাংকের তিনজন কর্মকর্তা-কর্মচারী ও সাধারণ পরিবারের সদস্য রয়েছেন।

জামালপুরের সিভিল সার্জন ডা. প্রণয় কান্তি দাস কালের কণ্ঠকে জানান, নতুন শনাক্ত ১৩ জনসহ এ নিয়ে জেলায় মোট করোনায় আক্রান্ত হলেন ৫৯৯ জন। তাদের মধ্যে চিকিৎসা শেষে সুস্থ হয়েছেন ২৩৮ জন এবং মারা গেছেন নয়জন। বর্তমানে ৩৫২ জন করোনার রোগী প্রাতিষ্ঠানিক ও হোম আইসোলেশনে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা