kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ২৯ শ্রাবণ ১৪২৭। ১৩ আগস্ট ২০২০ । ২২ জিলহজ ১৪৪১

শেবাচিম হাসপাতালের করোনা ওয়ার্ড

নারী চিকিৎসককে উত্ত্যক্ত, দুই কর্মচারীকে মারধর

পাল্টাপাল্টি অভিযোগ পরিচালকের কাছে

বরিশাল অফিস    

৩ জুলাই, ২০২০ ০৩:১১ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



নারী চিকিৎসককে উত্ত্যক্ত, দুই কর্মচারীকে মারধর

বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিক্যাল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালে এক নারী ইন্টার্ন চিকিৎসককে উত্ত্যক্ত করার অভিযোগ পাওয়া গেছে চতুর্থ শ্রেণির দুই কর্মচারীর বিরুদ্ধে। এর জের ধরে অভিযুক্ত দুই কর্মচারীকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে ইন্টার্ন চিকিৎসকদের বিরুদ্ধে।

এ ঘটনায় উভয় পক্ষ বিচার চেয়ে গতকাল বৃহস্পতিবার পাল্টাপাল্টি লিখিত অভিযোগ দিয়েছে হাসপাতালের পরিচালকের কাছে। পরিচালক অভিযোগ তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানিয়েছেন।

হাসপাতাল সূত্র জানায়, গত ২৮ জুন অফিস সহায়ক দিদারুল ইসলাম ও নুরুল ইসলাম নানা অজুহাতে করোনাভাইরাসে (কভিড-১৯) আক্রান্ত এক ইন্টার্ন চিকিৎসকের কক্ষে (করোনা ওয়ার্ডে) ঢোকেন এবং তাঁকে উত্ত্যক্ত করেন। এ ঘটনায় ওই চিকিৎসক মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েন। বিষয়টি তিনি তাঁর সহকর্মীদের মোবাইল ফোনে জানালে তাঁরা ২৯ জুন রাতে দিদারুল ও নুরুলকে হাবিবুর রহমান ছাত্রবাসে নিয়ে মারধর করেন।

অভিযুক্ত নুরুল ও দিদারুল উত্ত্যক্তের কথা অস্বীকার করে বলেন, তাঁরা ইন্টার্ন চিকিৎসকের কক্ষে ভুলে ঢুকে পড়েছিলেন এবং তাৎক্ষণিকভাবে ক্ষমাও চেয়েছেন।

মারধরের ঘটনা অস্বীকার করে ইন্টার্ন চিকিৎসক তরিকুল ইসলাম বলেন, উত্ত্যক্তের ঘটনা ধামাচাপা দেওয়ার জন্য অভিযুক্তরা টালবাহানা করছেন।

চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারীদের মারধরের অভিযোগের বিচার দাবি করেছেন তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণি কর্মচারী ঐক্য পরিষদের সভাপতি মো. মোদাচ্ছের কবির।

শেবাচিম হাসপাতালের পরিচালক ডা. মো. বাকির হোসেন বলেন, দুই পক্ষ থেকেই অভিযোগ পাওয়া গেছে। বিষয় দুটি তদন্ত করে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা