kalerkantho

শুক্রবার । ৩০ শ্রাবণ ১৪২৭। ১৪ আগস্ট ২০২০ । ২৩ জিলহজ ১৪৪১

বর্ষা এলেই দুর্ভোগ বাড়ে জলঢাকা পৌরসভাবাসীর

জলঢাকা (নীলফামারী) প্রতিনিধি   

২ জুলাই, ২০২০ ২০:১১ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



বর্ষা এলেই দুর্ভোগ বাড়ে জলঢাকা পৌরসভাবাসীর

নীলফামারীর জলঢাকা পৌর শহর এখন যেন জলাবদ্ধতার শহরে পরিণত হয়েছে। প্রতি বছর বাজেট-উন্নয়নসহ নানামূখী কর্মসূচির কথা কাগজে-কলমে থাকলেও পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা না থাকায় জনসাধারণকে পোহাতে হচ্ছে সীমাহীন দুর্ভোগ- এমন অভিযোগ উঠেছে। 

এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, জলঢাকা সদর ইউনিয়ন ২০০১ সালে পৌরসভায় উন্নীত হয়। উন্নীত হবার পর যা উন্নয়নের ছোঁয়া লেগেছে তারপর দৃশ্যমান তেমন উন্নয়ন হয়নি। ফলে একটু বৃষ্টিতেই শহর এলাকায় জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়ে এলাকাবাসীকে চরম দুর্ভোগ অতিক্রম করতে হচ্ছে। 

বৃহস্পতিবার ভোর হতে দুপুর পর্যন্ত অবিরত বৃষ্টিতে যে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে তাতে বাদ পড়েনি সরকারের বিভিন্ন গুরত্বপূর্ণ দপ্তরগুলো।

সরেজমিন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, প্রাণি সম্পদ কার্যালয়, খাদ্য গুদাম, থানা, সাব-রেজিস্টার অফিসে হাঁটু পানি ভেঙে মানুষ তাদের দাপ্তরিক কাজগুলো সারছে এমন দৃশ্য চোখে পড়ে। 

এ সময় পৌর এলাকার ফজলুর রহমান, আতিয়ার রহমান ও রশিদুল ইসলাম জানান, চারিদিকে উন্নয়নের চিত্র চোখে পড়লেও আমাদের পৌর এলাকার দৃশ্য ভিন্ন। সমস্যার কথা আর কি বলব? বর্ষা আসলেই আমাদের দুর্ভোগ বাড়ে। দেখার কেউ নাই। তাই হাঁটু পানি ভেঙে হাসপাতাল, পশু হাসপাতাল আর সাব-রেজিস্টার অফিসে যেতে হয়। এ যেন জলাবদ্ধতার শহর।

এ বিষয়ে সাবেক পৌর মেয়র ও উপজেলা বণিক সমিতি সভাপতি ইলিয়াস হোসেন বাবলু বলেন, আমার মেয়াদে পৌরসভাবাসী জলবদ্ধতা অনুভব করতে পারেনি। সকাল হতে বিভিন্ন ওয়ার্ডে গিয়ে পানি নিষ্কাসনের পথ তৈরি করে দিয়েছি। এখনও উপজেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার (ভূমি) স্যারের সাথে পানি বের করে দিতে একখানে যাচ্ছি। 

পৌর প্যানেল মেয়র রুহুল আমিন বলেন, আমি নিজেই পানিতে হেঁটে বেড়াচ্ছি। আর জলাবদ্ধতার কথা কি বলব?

জলঢাকা উপজেলা নির্বাহী অফিসার মাহবুব হাসান বলেন, পৌর এলাকায় ড্রেনেজ ব্যবস্থার ব্যাপক সংকট রয়েছে। যার কারণে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে। নাগরিকদের দুর্ভোগ হতে রক্ষা করতে পৌরসভাকে অচিরেই পানি নিষ্কাসনের জন্য উপযোগী ড্রেন নির্মাণ করতে হবে।

জলঢাকা পৌর মেয়র ফাহমিদ ফয়সাল চৌধুরী কমেট বৃহস্পতিবার বিকালে কালের কণ্ঠকে বলেন, পানি নেমে যাবার রাস্তার চেয়ে পানি বেশি হলে তো জলাবদ্ধতা হবে। ভোর হতে অবিরত বৃষ্টির ফলে জলাবদ্ধতা দেখা দিয়েছে। এ ছাড়া পানি নামার রাস্তায় মানুষজন প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি না করলে জলাবদ্ধতা হত না। বর্ষা সেরে গেলে ড্রেনেজ ব্যবস্থার উপর জোর দেব। 

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা