kalerkantho

মঙ্গলবার । ২৩ আষাঢ় ১৪২৭। ৭ জুলাই ২০২০। ১৫ জিলকদ  ১৪৪১

চিকিৎসা ব্যবস্থায় চট্টগ্রামের জন্য ২ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দের দাবি

নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম    

৩০ জুন, ২০২০ ১৯:৪৩ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



চিকিৎসা ব্যবস্থায় চট্টগ্রামের জন্য ২ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দের দাবি

চট্টগ্রাম শহর ও জেলায় কোভিড-ননকোভিড রোগীদের আশানুরূপ সেবা নিশ্চিত করতে চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসন ও স্বাস্থ্য প্রশাসন ব্যর্থ হয়েছে। এই ব্যর্থতা কাটিয়ে উঠতে স্বাস্থ্যখাতে বরাদ্দকৃত ১০ হাজার কোটি টাকা থেকে ও অন্যান্য খাত থেকে দ্রুত ২ হাজার কোটি টাকা চট্টগ্রামের চিকিৎসা খাতে বরাদ্দের দাবি জানানো হয়। 

চট্টগ্রামের সব সরকারি ও আধা-সরকারি  হাসপাতালে সেন্ট্রাল অক্সিজেন প্ল্যান্ট স্থাপনসহ কোভিড রোগীদের জন্য শয্যা সংখ্যা ২ হাজারে উন্নীত করা এবং প্রতি ৫ শয্যার বিপরীতে ভেন্টিলেটরসহ একটি করে আইসিইউ বেড-এর স্থাপনের দাবি জানানো হয়। গণ অধিকার চর্চা কেন্দ্র চট্টগ্রামের পক্ষ থেকে এক প্রেসবিজ্ঞপ্তিতে এই দাবিসহ দশ দফা দাবি জাননো হয়।  

গণ অধিকার চর্চা কমিটির কেন্দ্রীয় আহবায়ক ডা. মাহফুজুর রহমান, গণঅধিকার চর্চা কেন্দ্র চট্টগ্রামের মহাসচিব মশিউর রহমান খান, মুক্তিযোদ্ধা আজম সাদেক মুক্তিযোদ্ধা সংসদ চট্টগ্রাম মহানগর কমান্ডার মোজাফফর আহমদ, মুক্তিযোদ্ধা সুস্ময় চৌধুরী স্বাক্ষরিত ওই বিবৃতিতে মোট ১০ দফা দাবি জানানো হয়। করোনা সংক্রমন রোধ ও সুচিকিৎসার দাবিতে হাসপাতালগুলোর সরাসরি নিয়ন্ত্রণে চট্টগ্রামে ১০ হাজার শয্যার আইসোলেশন সেন্টার তৈরির দাবি জানিয়ে সেন্টারগুলোতে অক্সিজেনসহ প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি ও লোকবল এবং ১ টি বা ২টি করে এম্বুলেন্স বরাদ্দের দাবি করেন তাঁরা। বাকি দাবিগুলো হলো- কোভিড রোগীরা সবাই প্রথমে আইসোলেশন সেন্টারে ভর্তি ও নিয়ম করে সেখানে কোভিড টেস্ট করার ব্যবস্থা করা। প্রতিটি আইসোলেশন সেন্টারে ২টি থেকে ৪টি করে জনবল সহ পিসিআর মেশিন সরবরাহ করা। শুধু মাত্র হাই-ফ্লো অক্সিজেনসহ উন্নত চিকিৎসার প্রয়োজন দেখা দিলে তাদের হাসপাতালে নেওয়ার ব্যবস্থা করা। করোনা আক্রান্তদের চিকিৎসায় নিয়োজিত স্বাস্থ্য কর্মীদের জন্য সব ধরণের স্বাস্থ্য সুরক্ষা সরঞ্জাম নিশ্চিত করা। বেসরকারি হাসপাতালগুলোতেও একইভাবে আইসোলেশন সেন্টার থাকতে হবে, কোভিড শয্যা ও ভেন্টিলেটরসহ আই.সি.ইউ শয্যা রাখতে হবে। বেসরকারি হাসপাতালে পি.সি.আর মেশিন থাকতে হবে যাতে ননকোভিড রোগীদের দ্রুত ভর্তি করা যায়। এর জন্য বেসরকারি হাসপাতালগুলোকে সহজ শর্তে ঋণ দিতে হবে। এইসব ব্যবস্থা নিলে চট্টগ্রামের কোভিড রোগীরা যথাযথ সেবা পাবে বলে দাবি করা হয়।

সরকারের কাছে দাবিকৃত অর্থ ব্যয় ও সমস্ত কার্যক্রম পরিচালনার জন্য চট্টগ্রামের সকল জনপ্রতিনিধি, সাধারণ প্রশাসন, স্বাস্থ্য প্রশাসনের প্রতিনিধি ও  বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার প্রতিনিধি নিয়ে একটি কমিটি গঠন করার দাবি জানানো হয়। প্রধানমন্ত্রীকে এই কমিটির আহবায়ক নির্ধারণ করে দেওয়ার আহ্বান জানানো হয়।

একই দাবিতে সম্প্রতি গণ অধিকার চর্চা কেন্দ্র চট্টগ্রামের নেতৃত্বে বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ চট্টগ্রাম মহানগর ইউনিটসহ বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের অংশ গ্রহনে চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাব চত্ত্বরে এক প্রতীকী অনশন কর্মসূচি পালন করে। অনশন কর্মসূচি থেকে ঘোষণা করা হয় এইসব দাবিসমূহ বাস্তবায়নে উদ্যোগ গ্রহণ করা না হলে পদযাত্রার কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে ও পরবর্তীতে আরো কঠোর কর্মসূচি দেওয়া হবে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা