kalerkantho

শুক্রবার । ৪ আষাঢ় ১৪২৮। ১৮ জুন ২০২১। ৬ জিলকদ ১৪৪২

কুড়িগ্রামে এক লাখ মানুষ পানিবন্দি, দুর্ভোগ চরমে

কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি   

২৮ জুন, ২০২০ ১১:১২ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



কুড়িগ্রামে এক লাখ মানুষ পানিবন্দি, দুর্ভোগ চরমে

ফাইল ফটো

ধরলা ও ব্রহ্মপুত্রের পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হওয়ায় এ দুটি নদীর অববাহিকার তিন শতাধিক চর ও নদীসংলগ্ন বিস্তৃত এলাকা প্লাবিত হয়েছে। পানিবন্দি হয়ে পড়েছে অন্তত এক লাখ মানুষ। রবিবার সকালে ধরলার পানি বিপৎসীমার ৬২ ও ব্রহ্মপুত্রের পানি  ৬৪ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল।

বন্যাকবলিত এলাকায় প্রায় দুই হাজার হেক্টর জমির ফসল তলিয়ে গেছে। নিমজ্জিত ফসলের মধ্যে রয়েছে পাট, পটোল, বেগুন, ভুট্টা ও বীজতলা। কুড়িগ্রাম-যাত্রাপুর সড়কসহ জেলা সদরের সাথে বেশ কয়েকটি ইউনিয়নের সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। চরাঞ্চলের অনেকেই উঁচু ভিটা, নৌকা ও চৌকির ওপর আশ্রয় নিয়েছে। কেউ কেউ নিকটবর্তী বাঁধ, রাস্তা, আশ্রয়কেন্দ্র ও স্কুলে আশ্রয় নিয়েছে। তবে প্রবল বর্ষণের কারণে খোলা আকাশের নিচে অবস্থান নেওয়া পরিবারগুলোর দুর্ভোগ চরমে উঠেছে।

এদিকে পানির প্রবল চাপে রাজারহাটের কালুয়ারচর, সদর উপজেলার সারডোবসহ বেশ কয়েকটি স্থানে বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ ঝুঁকির মুখে পড়েছে। পানি উন্নয়ন বোর্ড বালুর বস্তা ফেলে ভাঙন ঠেকানোর চেষ্টা করছে। কুড়িগ্রাম পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. আরিফুল ইসলাম জানিয়েছেন, ঝুঁকিপূর্ণ বাঁধ রক্ষার জন্য জরুরি ভিত্তিতে বালুর বস্তা ফেলাসহ দিন-রাত তদারকি হচ্ছে।

কুড়িগ্রামের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রেজাউল করিম জানান, ভাঙনকবলিতদের সরিয়ে আনতে কাজ করছে উপজেলা প্রশাসন। এ ছাড়া শুক্রবার বন্যা ও ভাঙনকবলিত উপজেলাগুলোতে ৩০২ মেট্রিক টন চাল ও ৩৬ লাখ ৫০ হাজার টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।



সাতদিনের সেরা