kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ২৫ আষাঢ় ১৪২৭। ৯ জুলাই ২০২০। ১৭ জিলকদ ১৪৪১

নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে বিদ্যালয়ে পাঠদান

কাজিপুর (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধি   

৭ জুন, ২০২০ ১৪:৫৬ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে বিদ্যালয়ে পাঠদান

নিয়ম-নীতির তোয়াক্কা না করে সিরাজগঞ্জের কাজিপুর উপজেলার পরানপুরে অবস্থিত অন্যরকম বিদ্যানিকেতন স্কুলে চলছে ক্লাস। মূল গেটে তালা ঝুলিয়ে অন্য দরজা দিয়ে শিক্ষার্থীদের ভেতরে ঢুকিয়ে নিয়ে চলছে কোচিং বাণিজ্য। ব্যক্তি মালিকাকাধীন এই প্রতিষ্ঠানটির পরিচালক শিক্ষার্থীদের বিগত মাসের বেতন পরিশোধের জন্যে জোর তাগাদা দিচ্ছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।  

গোপন সংবাদের ভিত্তিতে রবিবার (৭ জুন) সকাল ১০টায় উপজেলার পরানপুরে অবস্থিত বিদ্যালয়টিতে গিয়ে এসব তথ্যের সত্যতা পাওয়া গেছে। বিদ্যালয় মাঠে গিয়েও পাঠদান চালানোর কোনো আলামত পাওয়া যাচ্ছিল না। কিছুক্ষণ অপেক্ষার পর বেরিয়ে আসা এক শিক্ষার্থীকে জিজ্ঞাসার পরে জানা যায় ভেতরে ক্লাস হচ্ছে। ভেতরে ঢুকেই দেখা যায় গোপনে পাঠদান করাচ্ছেন বিদ্যালয়ের পরিচালক ইয়াছিন আলী, তার স্ত্রী আফরিন জাহান ও আশরাফ নামের একজন শিক্ষক। 

এ সময় দেখা যায়, প্রতিটি শ্রেণিকক্ষে পঞ্চাশ জনের বেশি শিক্ষার্থীকে গাদাগাদি করে বসিয়ে পাঠদান করানো হচ্ছে। সামাজিক দূরত্বতো দূরের কথা শিক্ষকসহ একজনের মুখেও মাস্ক দেখা যায়নি তখন। 

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক অভিভাবক জানান, বাইরে থেকে যাতে বোঝা না যায় এ কারণে ছাত্ররা খালি হাতে বিদ্যালয়ে ঢোকে। বই স্কুলেই রাখা আছে। তিনি আরো জানান, করোনার শুরু থেকেই ওই স্কুলে গোপনে ক্লাস চালছে।

করোনাকালে সরকারি নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে বিদ্যালয়ে পাঠদান চালানোর বিষয়ে প্রশ্ন করলে আশরাফ নামের এক শিক্ষক বলেন, স্কুল বন্ধ রেখে কি লাভ? প্রশাসন কিছুই করতে পারবে না। সর্বোচ্চ কিছু টাকা খাবে।

বিদ্যালয়ের পরিচালক ইয়াছিন আলী জানান, হাট-বাজার, দোকান-মার্কেট সবকিছুতো ঠিকই চলতেছে। আমাদের বিদ্যালয় খোলা থাকলে অসুবিধা কি? আর আমাদের এলাকায়তো কোনো করোনা রোগী নেই যে শিক্ষার্থীরা এখানে আসলে আক্রান্ত হবে। 

কাজিপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জাহিদ হাসান সিদ্দিকী জানান, ওই বিদ্যালয়ের ব্যাপারে আগেও তথ্য পেয়েছিলাম। তখন বলেছে জেএসসি ফরম পূরণের জন্য ছাত্ররা এসেছিল। ক্লাস চলমান থাকলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা