kalerkantho

মঙ্গলবার । ২৩ আষাঢ় ১৪২৭। ৭ জুলাই ২০২০। ১৫ জিলকদ  ১৪৪১

লকডাউন কক্সবাজারে থমথমে পরিবেশ

বিশেষ প্রতিনিধি, কক্সবাজার   

৭ জুন, ২০২০ ০১:৪৫ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



লকডাউন কক্সবাজারে থমথমে পরিবেশ

পর্যটন শহর কক্সবাজারকে দেশের প্রথম রেড জোন হিসাবে চিহ্নিত করে চলছে কঠোর লকডাউন। শনিবার প্রথম দিবসে ছিল থমথমে অবস্থা। এদিন কক্সবাজার শহরসহ রেড জোন চিহ্নিত এলাকায় থমকে ছিল জনজীবন। অন্য এলাকাতেও জীবনযাত্রা ছিলনা স্বাভাবিক। করোনা পরিস্থিতির অবনতিতে উদ্বেগ সর্বত্র। শনিবার জেলায় আরও ৯৭ জন করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছে।

কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক মো. কামাল হোসেন বলেন, ‘জেলায় করোনাভাইরাস সংক্রমণ শুরু হয়েছে উদ্বেগজনকভাবে। তাই রেড জোন হিসাবে চিহ্নিত করার বিষয়টি অত্যধিক গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠে। পর্যায়ক্রমে জেলার চিহ্নিত সকল রেড জোন এলাকা কঠোর কর্মসূচির আওতায় আনা হবে। এসব এলাকা সম্পুর্ণ অবরুদ্ধ থাকবে।’

সূত্র জানায়, প্রথম ধাপে কক্সবাজার পৌর এলাকায় কঠোর লকডাউন চলছে। করোনা সংক্রমণের ঝুঁকি বিবেচনায় এসব রেড জোন চিহ্নিত করা হয়েছে। পরবর্তীতে অন্য এলাকাগুলোতে নজরদারির মাত্রা বাড়বে। তবে জরুরি কাজে জড়িতরা রেড জোনে সীমিত পরিসরে আসা যাওয়া করতে পারবেন। সকল প্রকার দোকান, মার্কেট, বাজার, হাট ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে। কেবলমাত্র রবিবার ও বৃহস্পতিবার কাঁচাবাজার ও মুদি দোকান স্বাস্থ্যবিধি মেনে চালু থাকবে।
শনিবার শহরে কার্যত যানবাহন চলাচল করেনি। সকালের দিকে বিভিন্ন স্থানে কিছু যানবাহন দেখা গেলেও বেলা বাড়ার সাথে সাথে যানবাহনসহ লোক চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। শহরের দোকান-পাট সম্পূর্ণ বন্ধ রয়েছে।

এদিকে শনিবার কক্সবাজার মেডিকেল কলেজের ল্যাবে আরো ১০৮ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। তাদের মধ্যে কক্সবাজার জেলায় রয়েছেন ৯৭ জন। অন্য ১১ জন বান্দরবানের লামা, চট্টগ্রামের সাতকানিয়া এবং লোহাগড়া উপজেলার। কক্সবাজারে আক্রান্তদের মধ্যে সদর উপজেলার ৪২ জন, টেকনাফ উপজেলায় সাতজন, উখিয়া উপজেলায় ১৯ জন, চকরিয়া উপজেলায় একজন, পেকুয়া উপজেলায় দুইজন, রামু উপজেলায় ২২ জন ও মহেশখালী উপজেলায় রয়েছেন একজন। শনাক্তদের মধ্যে রোহিঙ্গা রয়েছেন তিনজন। এ নিয়ে কক্সবাজার জেলায় এক হাজার ৪৭ জন করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছেন। জেলায় এ পর্যন্ত মারা গেছেন ২২ জন।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা