kalerkantho

মঙ্গলবার । ২৩ আষাঢ় ১৪২৭। ৭ জুলাই ২০২০। ১৫ জিলকদ  ১৪৪১

ছাতকে ব্যক্তিগত উদ্যোগে করোনার নমুনা সংগ্রহ

ছাতক (সুনামগঞ্জ) প্রতিনিধি   

৭ জুন, ২০২০ ০১:৩১ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



ছাতকে ব্যক্তিগত উদ্যোগে করোনার নমুনা সংগ্রহ

করোনার হটস্পটে রূপান্তরিত হচ্ছে সুনামগঞ্জের ছাতক উপজেলা। প্রায় প্রতিদিনই শনাক্ত হচ্ছেন নতুন নতুন করোনা রোগী। জেলার মধ্যে করোনা আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করা তিনজনই এ উপজেলার বাসিন্দা। প্রায় চার লক্ষাধিক জনসংখ্যার এ উপজেললায় নমুনা সংগ্রহের একটি মাত্র বুথ নিয়ে হিমশিম খেতে হচ্ছে স্বাস্থ্য বিভাগকে। 

এমন অবস্থা থেকে উত্তরণের জন্য শনিবার সুনামগঞ্জ সিভিল সার্জনের অনুমতি নিয়ে কৈতক ২০ শয্যা হাসপাতালের আবাসিক মেডিক্যাল অফিসার ডাক্তার মোজহারুল ইসলামের ব্যক্তিগত উদ্যোগে সোয়াব টেস্ট টিউব ক্রয় করে উপসর্গ আছে এবং করোনা আক্রান্তের সংস্পর্শে গেছেন এমন ব্যক্তিদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে একশ জনের নমুনা সংগ্রহ করেন।

জানা যায়, গত কয়কদিন ধরে উপজেলার জাউয়া বাজার এলাকায় উদ্বেগজনক হারে বাড়ছে করোনা রোগীর সংখ্যা। এছাড়া এ ইউনিয়নে আক্রান্ত এক ব্যক্তি মারা যাওয়ায় জনমনে আতঙ্ক সৃষ্টি হয়েছে। যার ফলে কৈতক হাসপাতালে নমুনা পরীক্ষার জন্য ভিড় জমাতে থাকেন রোগীরা। সেজন্য নমুনা সংগ্রহ করতে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে যোগাযোগ করেন ডা. মোজহারুল ইসলাম। স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে ৪০টি সোয়াব টেস্টিং টিউব দেওয়া হয় যা চাহিদার তুলনায় খুবই অপ্রতুল। পরবর্তীতে ডাক্তার মোজহারুল ইসলাম সিভিল সার্জনের অনুমতি নিয়ে নিজের ব্যক্তিগত খরচে আরো ১৫০টি সোয়াব টেস্টিং টিউব কিনে দিনব্যাপী নমুনা সংগ্রহের তত্বাবধান করেন। 

নমুনা সংগ্রহে ডাক্তার রায়হান আহমদ, প্রলয় দাস,  ল্যাব টেকনিশিয়ান কামরুল হাসান, এমএলএম হাসান আহমদ ও সার্বিক তত্বাবধানে ছাতক উপজেলা ছাত্রলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক মোস্তাক আহমদ পীর, সদস্য স্বপন দাস ছিলেন।

ডা. মোজহারুল ইসলাম জানান, ছাতকের মধ্যে জাউয়া বাজার করোনার রেড জোন হয়ে ওঠছে। এ থেকে পরিত্রাণ পেতে হলে বেশি বেশি টেস্ট করে যতো দ্রুত সম্ভব আক্রান্তদের আইসোলেশনের ব্যবস্থা করতে হবে। এজন্য তিনি এ উদ্যোগ নিয়েছেন। 

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা