kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ১৮ আষাঢ় ১৪২৭। ২ জুলাই ২০২০। ১০ জিলকদ  ১৪৪১

কেরানীগঞ্জে মাদক সম্রাট ও সন্ত্রাসী জরিপের হামলা, আহত ৬

কেরানীগঞ্জ (ঢাকা) প্রতিনিধি   

৫ জুন, ২০২০ ০৬:১২ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



কেরানীগঞ্জে মাদক সম্রাট ও সন্ত্রাসী জরিপের হামলা, আহত ৬

ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জে মাদক বিক্রিতে বাধা দেওয়াকে কেন্দ্র করে ইকুরিয়া হাসনাবাদ হাউজিং এলাকায় হামলা চালিয়েছেন কুখ্যাত সন্ত্রাসী ও মাদক সম্রাট জরিফ ওরফে কালো জরিফ তার ভাই শরিফের সহযোগীরা। বুধবার রাতে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের ইকুরিয়া হাসনাবাদ হাইজিং এলাকার জান্নাতুল ফেরদাউস মাদরাসার সামনে এ ঘটনা ঘটে।

হামলায় হাসনাবাদ হাউজিংয়ের এক বাড়ির মালিক বাদল, তার দুই ভাই রুবেল, সোহেল, ভাতিজা রুহান, ভাড়াটিয়া ফরহাদসহ ৬ জন আহত হয়েছেন। আহতদের উদ্ধার করে স্থানীয় ক্লিনিকে ভর্তি করা হয়েছে। এ ঘটনায় জরিপ বাহিনীর এক সদস্য জেহাদ আহত হওয়ার খবর পাওয়া যায়। 

এলাকাবাসী জানিয়েছেন স্থানীয় বাড়িওয়ালা বাদল মিয়া তার বাড়ির চার পাশে মাদক বিক্রি করতে নিষেধ করে শরীফকে। এ ঘটনা শরীফ তার ভাই সন্ত্রাসী জরিফকে জানালে বুধবার রাতে জরিপ ভাড়াটে সন্ত্রাসী ও মাদক বিক্রেতাদের নিয়ে বাদলের বাড়িতে হামলা করে। এক পর্যায়ে বাদলের ভাই ভাতিজারা সন্ত্রাসীদের বাধা প্রদান করতে গেলে কালো জরিপের ভাড়াটিয়া সন্ত্রাসীদের নিয়ে দফায় দফায় হামলা চলতে থাকে।

হামলায় বাদলসহ তার ভাই ভাতিজা ও তাদের ভাড়াটিয়ারা আহত হলে এলাকাবাসী লাঠিসোটা নিয়ে সন্ত্রাসীদের ধাওয়া করে। এলাকাবাসীর ধাওয়া খেয়ে সন্ত্রাসীরা পেছনে হটতে শুরু করে। এলাকাবাসী পুলিশকে খবর দিলে পুলিশ এসে তাদের ছত্রভঙ্গ করে পরিস্থিতি নিয়িন্ত্রণে আনে। 

জরিপ বাহিনীর মারামারিতে অংশগ্রহণ করে জরিপ ও শরীফ, জিহাদ আলী, মাদক ব্যবসায়ী মাছুম, মাদক ডিলার মোতালেব ওরফে মুতাইল্লা, সুমন, নিপা, মাদক ব্যবসায়ী সাগির, মাদক সম্রাট আজিম, আল-আমিন, কাঠাল আলামিন, সুমি বেগম ও তার জামাই এবং ভাড়াটিয়া সন্ত্রাসীসহ ৫০-৬০ জন অংশগ্রহণ করেন।

এ ব্যাপারে বাদল মিয়ার মুঠোফোনে কথা হলে তিনি জানান, আমার বাড়ির আশপাশে মাদক বিক্রির আখড়া গড়ে তুলেছে সন্ত্রাসীরা। আমি তাদের সেখানে মাদক বিক্রি করতে নিষেধ করায় সন্ত্রাসী জরিপ তার ভাই শরীফসহ ৫০-৬০ জন আমার বাড়িতে হামলা চালিয়ে আমাদের আহত করেছে। সন্ত্রাসীরা এলাকাবাসী ধাওয়ায় চলে গেলেও তারা যাওয়ার সময় আমাদের পরিবারের লোকজনকে দেখে নেবে বলে হুমকি দিয়ে গেছে। আমি এখন নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি।

এদিকে জরিপ বাহিনীর কাউকে না পাওয়ায় তাদের বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।  

এ ব্যাপারে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানার ওসি মোহাম্মদ শাহজামানকে মুঠোফোনে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বলেন, এ ধরনের কোনো ঘটনা আমার জানা নাই বা কেউ কোনো অভিযোগ করতে আসে নাই। থানা থেকে প্রায় ২০০ গজের মধ্যে এলাকাটি আর এত বড় একটি ঘটনা ঘটল কেউ থানা পুলিশকে জানাল না।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা