kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ১৮ আষাঢ় ১৪২৭। ২ জুলাই ২০২০। ১০ জিলকদ  ১৪৪১

আউশ ধান চাষে ঝুঁকেছে ধামইরহাটের কৃষকরা

ধামইরহাট (নওগাঁ) প্রতিনিধি   

৪ জুন, ২০২০ ১৬:২১ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



আউশ ধান চাষে ঝুঁকেছে ধামইরহাটের কৃষকরা

নওগাঁর ধামইরহাটে চলতি ইরি বোরো মওসুমে কৃষক ধানের সর্বোচ্চ মূল্য পাওয়ায় আউশ ধান চাষে ঝুঁকে পড়ছে কৃষকরা। এ ধান চাষ করে কৃষকরা একই জমিতে বছরে তিন ফসল উৎপাদন করবে। উপজেলা কৃষি বিভাগের ব্যাপক তৎপরতা এবং কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে প্রণোদনার সার, বীজ প্রদান করায় কৃষি ক্ষেত্রে এ পরিবর্তন আসতে শুরু করেছে। বর্তমানে কৃষকরা আউশ ধান চাষে ব্যস্ত সময় পার করছে।

উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ সূত্রে জানা গেছে, চলতি ইরি বোরো ধান কাটার পর এ উপজেলায় এবার ৪ হাজার হেক্টর জমিতে ধান চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। ইতোমধ্যে প্রায় ৩ হাজার ৫৬০ হেক্টর জমিতে উচ্চ ফলনশীল ব্রিধান-৪৮ জাতের ধান রোপন চলছে। বর্তমানে কৃষকরা ইরি বোরো ধানের সর্বোচ্চ দাম পেয়ে আউশ ধান চাষে মাঠে নেমে পড়েছে। 

জানা গেছে, ধানের বীজতলা থেকে ধানকাটা পর্যন্ত মাত্র ১০০ থেকে ১১০ দিন সময় লাগে। তাছাড়া সারের পরিমাণ অন্যান্য ধান থেকে ৩০ থেকে ৪০ ভাগ খরচ কম হয়। এ ধানের ফলন হয় ৫৫ থেকে ৬০ মণ। গত বছর ৩ হাজার ৩০০ হেক্টর জমিতে কৃষক আউশ ধান চাষ করলেও এবার ৪ হাজার হেক্টর জমিতে ধান রোপন চলছে। এক্ষেত্রে উপজেলা কৃষি বিভাগ কৃষকদের সার্বিক সহযোগিতা প্রদান করছে। কৃষি বিভাগ থেকে ৭৫০ জন কৃষককে ইতোমধ্যে আউশ প্রণোদনা হিসেবে প্রত্যেক কৃষককে ৫ কেজি ধানবীজ, ২০ কেজি ডিএপি, ১০ কেজি এমওপি সার প্রদান করা হয়েছে। এ ছাড়া ১০ জন কৃষককে আউশ প্রদর্শনী দেওয়া হয়েছে।

আলমপুর ইউনিয়নের চৌঘাট গ্রামের কৃষাণী সেলিনা বলেন, ইরি ধানের দাম ভালো পাওয়ায় ওই জমিতে আউশ ধান রোপন করেছি। উপজেলার চকমহেশ গ্রামের কৃষক দুলাল হোসেন বলেন, কৃষি বিভাগ থেকে বীজ, সার বিনামূল্যে প্রদান করায় আমরা এ ধান চাষ করছি।

এব্যাপারে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মো. সেলিম রেজা বলেন, করোনা পরবর্তীতে ফসলের উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও কৃষিমন্ত্রীর আহ্বানে সাড়া দিয়ে এ উপজেলায় চাষ যোগ্য সকল জমিতে ফসল উৎপাদনের লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছে কৃষি বিভাগ। বোরো ধানের ভালো দাম পাওয়ায় কৃষকরা অধিক আগ্রহ নিয়ে এ ধান চাষ করতে ঝুঁকে পড়ছে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা