kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ২৫ আষাঢ় ১৪২৭। ৯ জুলাই ২০২০। ১৭ জিলকদ ১৪৪১

করোনা উপসর্গ নিয়ে গার্মেন্টকর্মীর মৃত্যু, স্বাস্থ্যবিধি না মেনে দাফন

সরিষাবাড়ী (জামালপুর) প্রতিনিধি   

৩ জুন, ২০২০ ১৯:১২ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



করোনা উপসর্গ নিয়ে গার্মেন্টকর্মীর মৃত্যু, স্বাস্থ্যবিধি না মেনে দাফন

জামালপুরের সরিষাবাড়ী উপজেলায় করোনাভাইরাসের উপসর্গ নিয়ে নারায়ণগঞ্জফেরত সোলায়মান হোসেন (৩৭) নামে এক গার্মেন্টকর্মীর মৃত্যু হয়েছে। আজ বুধবার ভোরে উপজেলার ভাটারা ইউনিয়নের ভেবলা গ্রামে বড় বোন জামাই বদর আলীর বাড়ীতে তার মৃত্যু হয়। পরিবারের লোকজন স্বাস্থ্যবিধি না মেনেই লাশ দাফন করে। এতে গ্রামবাসীর মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে।

সালায়মান হোসেন জামালপুর জেলার মেলান্দহ উপজেলার ঝাউগড়া ইউনিয়নের ঘোষেরপাড়া গ্রামের নুরুল ইসলামের ছেলে।

স্থানীয় সূত্র জানায়, সোলায়মান হোসেন ও তার ভাগিনা কাজল মিয়া নারায়ণগঞ্জের একটি পোশাক কারখানায় কাজ করতেন। ৩১ মে তিনি জ্বর, সর্দি ও শ্বাসকষ্ট নিয়ে নারায়ণগঞ্জ থেকে পালিয়ে এসে সরিষাবাড়ী উপজেলার ভাটারা ইউনিয়নের ভেবলা গ্রামের আব্দুল হালিমের ছেলে বদর আলীর বাড়িতে আত্মগোপন করেন। আজ বুধবার ভোরে তার মৃত্যু হলে গ্রামবাসীর মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।

ভাটারা ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য বাদল মিয়া কালের কণ্ঠকে জানান, করোনার উপসর্গ নিয়ে মৃত্যু হওয়ার বাড়িতে উপজেলা প্রশাসন বা স্বাস্থ্য বিভাগের কোন লোক আসেনি। মৃত ব্যক্তির কোন নমুনাও সংগ্রহ করা হয়নি। এমন ঘটনা আমি চেয়ারম্যানকে জানিয়েছি তিনিই পরিষদ থেকে কয়েকজন গ্রাম পুলিশ পাঠিয়েছেন। তারা এসে মৃত ব্যক্তির বাড়ির সামনে বাঁশ দিয়ে বেড়া দিয়ে গেছেন যাতে ঔ বাড়িতে বাহিরের কোন লোক ঢুকতে বা বাহির হতে না পারে।

এ ব্যাপারে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. গাজী রফিকুল হক বলেন, করোনার উপসর্গ নিয়ে মৃত্যুবরণ করেছে শুনেছি। মৃত ব্যক্তির বাড়িতে যাওয়ার আগেই জানতে পারলাম লাশ দাফন করেছে পরিবারের লোকজন। আগামীকাল বৃহস্পতিবার সকালে স্বাস্থ্য কর্মী গিয়ে মৃত ব্যক্তির সংস্পর্শে আসা ওই বাড়ির সবার নমুনা সংগ্রহ করবে। ঐ বাড়ীসহ কয়েকটি বাড়ীর লোকজনকে বাহিরে বের হতে নিষেধ করা হয়েছে।

এ ব্যাপারে জামালপুর জেলা প্রশাসক মো. এনামুল হক কালের কণ্ঠকে বলেন, বিষয়টি নিয়ে কি করা যায় সেটা দেখছি।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা