kalerkantho

রবিবার । ২১ আষাঢ় ১৪২৭। ৫ জুলাই ২০২০। ১৩ জিলকদ  ১৪৪১

মাইক্রোবাসে গাদাগাদি করে জলঢাকার করোনা রোগী পৌঁছেন ঢাকায়!

নীলফামারী প্রতিনিধি   

৩১ মে, ২০২০ ০০:৫৭ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



মাইক্রোবাসে গাদাগাদি করে জলঢাকার করোনা রোগী পৌঁছেন ঢাকায়!

নমুনা দিয়ে ফলাফলের অপেক্ষা না করেই ভাড়া করা মাইক্রোযোগে নীলফামারীর জলঢাকা থেকে ঢাকা নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে গেছেন এক করোনা রোগী। সেই মাইক্রোতে তার স্ত্রীসহ ছিলো মোট ১৩ জন যাত্রী। আক্রান্ত যুবকের বাড়ি জেলার জলঢাকা উপজেলার খুটামারা ইউনিয়নের টেংগনমারী তহশীলদার পাড়া গ্রামে। তিনি নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জের একটি টেক্সটাইল মিলে কর্মরত।

আজ শনিবার সন্ধ্যায় তার করোনা পজেটিভ রিপোর্ট আসে বলে নিশ্চিত করেছেন জলঢাকা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আবু হাসান মোহাম্মদ রেজওয়ানুল কবির।

আক্রান্ত ওই যুবক জানান, গত ১০ মে ঈদ করতে কর্মস্থল থেকে বাড়িতে আসেন। এর কিছুদিন পর তার শরীর ব্যাথা হলে গত ২৩ মে স্বাস্থ্য বিভাগ থেকে তার নমুনা সংগ্রহ করা হয়। নমুনা দিয়ে গত ২৬ মে স্ত্রীকে সাথে নিয়ে একটি মাইক্রো ভাড়া করে কর্মস্থলে যান। তারা স্বামী-স্ত্রীসহ ওই মাইক্রোতে মোট ১৩ জন যাত্রী ছিলেন।

শনিবার বিকেলে ফলাফল পজেটিভ আসায় স্বাস্থ্য বিভাগের লোকজন তার বাড়িতে গেলে জানতে পারেন তিনি নারায়ণগঞ্জ চলে গেছেন। এসময় বাড়ির অন্যান্য সদস্যরাও পালিয়ে যান। পরে স্বাস্থ্য বিভাগের লোকজন দুটি বাড়ি লকডাউন করে সেখানে গ্রাম পুলিশ নিয়োগ করে ফিরে আসেন।

শনিবার সন্ধ্যায় মুঠোফোনে ওই যুবকের সঙ্গে কথা হলে বলেন, আমার শরীরে তেমন কোনো লক্ষণ নেই। বাড়িতে অবস্থানকালে শরীর ব্যাথার জন্য নমুনা দেই স্বাস্থ্য বিভাগে। এরপর আর কোনো সমস্যা না থাকায় কর্মস্থলে চলে আসি। এখন এলাকা থেকে খবর পাচ্ছি আমি করোনা আক্রান্ত। এ অবস্থায় কি করব বুঝতে পারছি না। 

জলঢাকা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আবু হাসান মো‏হাম্মদ রেজওয়ানুল কবির বলেন, আক্রান্ত যুবকের বাড়িতে গিয়ে কাউকে পাওয়া যায়নি। তার বাড়ি ও পাশের একটি বাড়ি লকডাউন করে বাড়িতে গ্রাম পুলিশ নিয়োগ করা হয়েছে। আগামী কাল তার বাবা-মায়ের নমুনা নেওয়া হবে।

এদিকে, আজ শনিবার ১৯ জনসহ জেলায় এনিয়ে আক্রান্ত করোনা শনাক্ত হলেন ১২৭ জন। তাদের মধ্যে সুস্থ্য হয়েছেন মোট ৩৮ জন। আক্রান্তরা জেলার বিভিন্ন হাসপাতালের আইসোলেশনে রয়েছেন। এছাড়া মৃত্যু হয়েছে দুই জনের।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা