kalerkantho

মঙ্গলবার । ২৩ আষাঢ় ১৪২৭। ৭ জুলাই ২০২০। ১৫ জিলকদ  ১৪৪১

দেশে এসেছে ভারতে খুন হওয়া বাংলাদেশির লাশ

হবিগঞ্জ প্রতিনিধি   

৩০ মে, ২০২০ ০৭:৪৭ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



দেশে এসেছে ভারতে খুন হওয়া বাংলাদেশির লাশ

ছবি : বাংলানিউজ

পাঁচ দিন পর দেশে এসেছে ভারতে খুন হওয়া বাংলাদেশি যুবক লোকমানের মরদেহ। ২৪ এপ্রিল ত্রিপুরা রাজ্যের গোপালনগরে চোর অপবাদ দিয়ে তাকে আটক করা হয়। পরে পিটিয়ে মেরে ফেলে সেখানকার লোকজন। শুরুতে অপমৃত্যু মামলা রুজুর পর লাশ হস্তান্তর করতে চায় ভারতীয় পুলিশ। তবে এতে সম্মত হয়নি বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।

২৮ মে ময়না তদন্তের রিপোর্ট পায় সেখানকার পুলিশ। এতে প্রমাণ মেলে লোকমানকে পিটিয়ে খুন করা হয়েছে। পরে হত্যা মামলা রুজু হয় সিদাই থানায়। এতে আসামী রাখা হয়েছে অজ্ঞাত। এসব ঘটনার পর শুক্রবার (২৯ মে) বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তের মোহনপুর এলাকায় লাশ হস্তান্তর হয়েছে। নিহত লোকমান মাধবপুর উপজেলার মালঞ্চপুরের মৃত আব্দুল হাশিমের ছেলে।

মরদেহ হস্তান্তরকালে উপস্থিত ছিলেন সিদাই থানার এসিপি কামাল মজুমদার ও বাংলাদেশ পুলিশের পক্ষে কাশিমনগর ফাঁড়ির পরিদর্শক মোর্শেদ আলম। এর আগে মোহনপুর সীমান্তে ১৯৪ ফোর এস পিলার এলাকার জিরো পয়েন্টে অনুষ্ঠিত হয় বিজিবি-বিএসএফের পতাকা বৈঠক। এতে বাংলাদেশের পক্ষে কোম্পানী কমান্ডার দেলোয়ার হোসেন ও ভারতের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন শশী কান্ত।

মাধবপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ ইকবাল হোসেন জানান, বাংলাদেশ থেকে ভারতে অনুপ্রবেশের পর সেখানকার লোকজন লোকমানকে পিটিয়ে হত্যা করে। শুরুতে অপমৃত্যু মামলা হয় ত্রিপুরা রাজ্যের সিদাই থানায়। পরবর্তীতে ২৮ মে হত্যা মামলা দায়ের হলে শুক্রবার লাশ গ্রহণ করা হয়েছে। হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় সেখানকার পুলিশ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে বলেও জানান তিনি।

নিহতের ফুফাতো ভাই বাবুল মিয়া বলেন, শুক্রবার রাত সাড়ে ৮টায় লোকমানের দাফন সম্পন্ন হয়েছে। তবে সে ভিসা-পাসপোর্ট ছাড়া অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশ করে বলেও নিশ্চিত করেন।

২৪ মে ত্রিপুরা রাজ্যের মোহনপুরে ফুফু তাহেরা খাতুনের বাড়ি যাওয়ার উদ্দেশ্যে অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশ করেন লোকমান। পথিমধ্যে গোপালনগর এলাকায় স্থানীয়রা তাকে চোর সন্দেহে বেধড়ক মারপিট করেন। বেড়াতে যাওয়ার কথা বললেও থামেনি মারপিট। অবশেষে মৃত্যু হয় লোকমানের।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা