kalerkantho

রবিবার । ২৮ আষাঢ় ১৪২৭। ১২ জুলাই ২০২০। ২০ জিলকদ ১৪৪১

এবার ঢাকামুখী যাত্রীর ঢল

মুন্সীগঞ্জ প্রতিনিধি   

২৬ মে, ২০২০ ১৮:১৮ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



এবার ঢাকামুখী যাত্রীর ঢল

শিমুলিয়া-কাঁঠালবাড়ি নৌরুটে এবার ঢাকামুখী যাত্রীদের ঢল নেমেছে। আজ মঙ্গলবার ঈদের পরের দিন সকালে উভয় মুখী যাত্রীর চাপ থাকলেও বেলা বাড়ার সাথে সাথে ঢাকামুখী যাত্রীর চার অনেক বৃদ্ধি পায়। ভোর থেকে শিমুলিয়া ঘাট দিয়ে ১০ হাজার মানুষ পার করা হয়েছে। তীব্র বাতাসে পদ্মা উত্তাল থাকার কারণে ৬টি টানা ফেরি স্রোতের প্রতিকুলে চলতে পারছে না। তাই এখন ৪টি রোরো ফেরিসহ ১০টি ফেরি হরদম পরাপার করে চলেছে ঘাটে আসা যানও ও জন। শুধু দক্ষিণবঙ্গেই যাচ্ছে না মানুষ একইভাবে কাঠালবাড়ি থেকেও ফেরি ভর্তি করে ঢাকা যাওয়ার উদ্দেশ্যে শিমুলিয়া আসছে হাজার হাজার মানুষ।

সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত প্রায় ১২০০ ছোট গাড়ি পার করা হয়েছে। সেই সাথে পার করা হয়েছে হাজারো মোটর সাইকেল। তব্যে পণ্যবাহী ট্রাক পার করা হয়েছে কম। পারাপারের অপেক্ষায় রয়েছে ৮ শতাধিক ছোট গাড়ি। ঘাটে সৃষ্টি হয়েছে তীব্র যানযট। এ নৌরুটে ৪ শতাধিক স্পীডবোট ও ৮৭টি লঞ্চ চলাচল করলেও গত ২৬ মার্চ থেকে এগুলো বন্ধ রয়েছে। তাই দক্ষিণাঞ্চলের ২১ জেলার ঘরমুখো এবং ঢাকাগামী মানুষ ভিড় করেছে ফেরিতে। দুইপাড় থেকেই যাত্রী ও যানবাহন ভর্তি করে ফেরিগুলো গন্তব্যে পৌঁছাচ্ছে। স্বাস্থ্য ঝুঁকি নিয়েই যাত্রীরা পদ্মা পারি দিচ্ছে। বহু যাত্রী দক্ষিাণাঞ্চলে যাচ্ছে আবার ঢাকার দিকে যাচ্ছে যাত্রীরা।

ভাড়া করা মোটরসাইকেল, অটোরিকশা, মাইক্রোবাস এমনকি ট্রাক-পিকাপে করেও যাত্রীরা ঘাটে আসছেন। এতে তাদের গুণতে হচ্ছে কয়েকগুণ অতিরিক্ত ভাড়া।

মাওয়া নৌ পুলিশ ফাঁড়ি ইনচার্জ সিরাজুল কবির জানান, যাত্রীরা বিভিন্ন প্রকার যান বাহনে ঢাকা থেকে ভেঙে ভেঙে শিমুলিয়া ঘাটে এসে পৌঁছেছে। এখান থেকে নির্বিঘ্নে ফেরি দিয়ে পার হয়ে যাচ্ছে। তবে সকালের দিকে যাত্রীর চাপ কম থাকলেও বেলা বাড়ার সাথে সাথে যাত্রীর ঢল নামে। উভয় দিকে যাত্রী যাতায়াত করলেও আজ ঢাকামুখী যাত্রীর চাপ ছিল বেশী।

বিআইডব্লিউটিসির শিমুলিয়া ঘাটের সহকারী মহাব্যবস্থাপক মো. শফিকুল ইসলাম জানিয়েছেন, মঙ্গলবার শিমুলিযায় মানুষ এবং গাড়ির ঢল নেমেছে। সকাল থেকে প্রায় ১০ হাজার যাত্রী এই ঘাট দিয়ে পার হয়েছে। এ পর্যন্ত ১২০০ ছোট গাড়ি পার করা হয়েছে। সেই সাথে পার করা হয়েছে মেটোরসাইকেলও। পণ্যবাহী ট্রাক একেবারেই কম ছিল। সবই ছোট আকারের যানবাহন। প্রাইভেট কার ও মাইক্রো বেশী। ৪টা রোরো ফেরিসহ ১০টি ফেরি দিয়ে যাত্রী পার করেও কুলিয়ে ওঠা যাচ্ছে না। ঘাটে থাকা টানা ৬টি ফেরি পদ্মা উত্তাল থাকায় চলতে পারছে না। ঘাটে সৃষ্টি হয়েছে যানযট। ঈদের আগেও ঘাটে যানযট ছিল না। আমরা চেষ্টা করছি যাতে যাত্রীদের দ্রুত পার করে দেওয়া যায়।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা