kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ২৫ আষাঢ় ১৪২৭। ৯ জুলাই ২০২০। ১৭ জিলকদ ১৪৪১

যমুনার তীরে ঈদ আনন্দ

রফিকুল আলম, ধুনট (বগুড়া)   

২৫ মে, ২০২০ ১৮:১৩ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



যমুনার তীরে ঈদ আনন্দ

ঈদের ছুটি আনন্দময় করতে মানুষ নানা আয়োজনে নানা উদ্যোগে নিজেদের মাতিয়ে রাখেন। কেউ যায় সমুদ্র সৈকতে, কেউ পার্কে, কেউ যায় স্বজনদের বাড়িতে, কেউ বা আড্ডায় মেতে থাকে। দূরে বেড়াতে যাওয়ার যাদের সময় বা সামর্থ্য নেই তাদের কাছে জনপ্রিয় বগুড়ার ধুনট উপজেলার যমুনা নদীর বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ। করোনার চোখ রাঙ্গানি উপেক্ষা করে অন্যান্য বছরের ন্যায় এবারও যমুনা নদীর তীরে ঈদের ছুটিতে থাকা প্রকৃতি প্রেমীদের মিলন মেলা বসেছে।

সরেজমিনে দেখা যায়, ঈদের দিন দুপুর থেকেই পরিবার-পরিজন নিয়ে ভিড় জমিয়েছে লোকজন। বিকালে হাজারো নারী-পুরুষের মিলন মেলায় পরিণত হয়েছে। বাঁধে বসে কেউ গল্প করে, কেউ বাঁধে ঘোরাঘুরি করে আর কেউ বা নদীতে নৌকা ভ্রমণ করে। ছবি তোলা তো আছেই। শুধু স্থানীয় লোকজনই নয় অন্যান্য এলাকা থেকেও এসছেন বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ।

সব বয়সী নারী-পুরুষ আর শিশুদের আগমনে মুখরিত হয়ে উঠে বাঁধ এলাকা। পরিবার-পরিজন নিয়ে শুধু হাঁটাহাঁটি নয়, অনেকেই মাদুর নিয়ে এসেছেন সঙ্গে করে। পাড়ে বিছিয়ে একসঙ্গে বসে গল্পে মশগুল হয়েছে দলে দলে। কেউ কেউ তীর থেকে একটু দূরে কাশবনেও বসেছেন। অনেকেই খাবার নিয়ে এসেছেন সঙ্গে করে। শুধু স্থানীয়রা নন রাজধানী ঢাকা কিংবা অন্য কোনো জেলায় কর্মরতরাও বাড়িতে ঈদ করতে এসে বিকালটা কাটাতে  এখানে এসেছেন।

ঈদের দিন যেন যমুনার তীরে অঘোষিত মেলা বসে। লোকজনে আগমনকে কেন্দ্র করে সেখানে ভ্রাম্যমাণ নানা ধরনের খাবারের দোকান বসেছে। যমুনা দর্শন আর যমুনা পাড়ে বসে বিকালে পরিবার-পরিজনকে নিয়ে কিছু খাওয়া-দাওয়া ঈদে নতুন আনন্দ বয়ে আনে।

যমুনার তীরে বেড়াতে আসা মানুষ গুলো জানান, ঈদে যমুনা পাড়ে বেড়াতে আসা যেন অন্যরকম আনন্দ। আর গ্রোয়েনের আড্ডা তাদের খুব প্রিয়। নৌকায় যমুনা নদীতে ঘোরা আর নদীর ওপার বৈশাখীচর, বোহাইলচর, আওলাকান্দিচর ঘুরে বেড়িয়েছি। চরের মধ্যে ঘোরাঘুরি যেন অন্যরকম আনন্দ। করোনার কারণে ঈদে দূরে কোথাও ঘোরার সুযোগ নেই। তাই ঈদে বাড়ি আসলেই ছুটে আসি যমুনার তীরে। খোলামেলা জায়গাটা খুব সুন্দর লাগে।

বানিয়াজান স্পারে চানাচুর-বাদামের পসরা সাজিয়েছেন হেলাল নামে এক তরুণ। তিনি বলেন, অনেকেই দূর থেকে আসে। তারা এখানে এসে কিছু খেতে চায়। আমি বাদাম ও  চানাচুরের দোকান নিয়ে এসেছি। সঙ্গে বরফ দিয়ে মিনারেল ওয়াটার ঠান্ডা করে বেচি। বছরের এই দিন অনেক বিক্রি হয়। তবে অন্যান্য বছরের তুলনায় এবছর লোকজনের সংখ্যা অনেক কম।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা