kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ২৫ আষাঢ় ১৪২৭। ৯ জুলাই ২০২০। ১৭ জিলকদ ১৪৪১

শিবচরে করোনা উপসর্গ নিয়ে পল্লী বিদ্যুতের প্রকৌশলীর মৃত্যু

শিবচর (মাদারীপুর) প্রতিনিধি   

২৫ মে, ২০২০ ১৫:২৪ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



শিবচরে করোনা উপসর্গ নিয়ে পল্লী বিদ্যুতের প্রকৌশলীর মৃত্যু

মাদারীপুর জেলার শিবচরে করোনার উপসর্গ নিয়ে পল্লী বিদ্যুতের এক ইঞ্জিনিয়ারের মৃত্যু হয়েছে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে। একই ধরনের উপসর্গ নিয়ে তার স্ত্রী ও ২ ছেলেকে ঢাকা মেডিক্যালে পাঠানো হয়েছে। স্বাস্থ্য কর্মকর্তার ধারণা প্রকৌশলীর বাসায় আসা ঢাকা ও টুঙ্গীতে পড়ুয়া ছেলেদের কাছ থেকে সংক্রমিত হয়ে থাকতে পারেন পরিবারটি। 

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, শিবচর পল্লী বিদ্যুতের জুনিয়র ইঞ্জিনিয়ার সিনহা খসরু (৫২) নামে গত ১৮ মে থেকে জ্বর অনুভব করায় ছুটিতে যান। গত ২০ মে সে শিবচর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসার জন্য গেলে তাকে চিকিৎসা ও ওষুধ পথ্যাদি দিয়ে বাসায় ফেরৎ পাঠানো হয়। এরপর ২৩ মে তার করোনার নমুনা সংগ্রহ করা হয় স্বাস্থ্য বিভাগ থেকে। 

রবিবার রাতে তার প্রচণ্ড শ্বাস কষ্ট অনুভব হলে চিকিৎসকরা তাকে ঢাকায় প্রেরণ করেন। ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পর মধ্যরাতেই তার মৃত্যু হয়। তার স্ত্রীরও শ্বাসকষ্ট ও ২ ছেলের জ্বর অনুভব হওয়ায় তাদের তিনজনকেও সোমবার সকালে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। সে শিবচর পৌরসভার ১নং ওয়ার্ডে ভাড়া বাসায় বসবাস করতেন। তার ছেলেরা ঢাকা ও টুঙ্গীতে লেখাপড়া করতেন।

সম্প্রতি ছেলেরা বাসায় আসলেও তাদের হোম কোয়ারেন্টিনে না রেখে একসঙ্গে সবাই বসবাস করতেন। সিনহা খসরু দিনাজপুরের ঘোড়াঘাটের বড়বোলী এলাকার আমির খসরুর ছেলে। 
শিবচর পল্লী বিদ্যুৎ কার্যালয়ের ডিজিএম মো. আকমল হোসেন বলেন, ১৮ মে থেকে সে করোনা উপসর্গ নিয়ে ছুটিতে ছিলেন। রবিবার রাতে তার প্রচণ্ড শ্বাসকষ্ট হলে ঢাকা মেডিক্যালে পাঠানোর পর সেখানেই তার মৃত্যু হয়। 

উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কর্মকর্তা ডা. শশাঙ্ক চন্দ্র ঘোস বলেন, ২৩ মে এই ব্যক্তির করোনার নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে তার ছেলেরা ঢাকা ও টুঙ্গী থেকে আসায় পরিবারটি সংক্রমিত হয়ে থাকতে পারে। উপসর্গ থাকায় তার স্ত্রী ও ২ ছেলেও ঢাকা মেডিক্যালে পাঠানো হয়েছে। 

শিবচর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আসাদুজ্জামান বলেন, পল্লী বিদ্যুৎ কর্মকর্তার  নমুনা নেওয়া হয়েছে। রিপোর্ট এলে বোঝা যাবে। তাছাড়া নিহতের স্ত্রী ও সন্তানের মধ্যেও করোনার লক্ষণ দেখা দেওয়ায় তাদের ঢাকায় পাঠানো হয়েছে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা