kalerkantho

বুধবার । ১৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭ । ২৭  মে ২০২০। ৩ শাওয়াল ১৪৪১

ভাঙ্গুড়ায় ৮৭৯ পরিবার পেল খাদ্য সামগ্রী

ভাঙ্গুড়া (পাবনা) প্রতিনিধি   

২৩ মে, ২০২০ ০৭:৪১ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



ভাঙ্গুড়ায় ৮৭৯ পরিবার পেল খাদ্য সামগ্রী

পাবনার ভাঙ্গুড়া পৌর ও ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের ৪৫৯ জন নেতাকর্মীকে ঈদ উপহার পাঠিয়েছেন পৌর মেয়র ও পৌর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক গোলাম হাসনাইন রাসেল। গতকাল শুক্রবার সারাদিন এসব আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের বাড়িতে বাড়িতে ঈদ উপহার পৌঁছে দেন পৌর মেয়রের লোকজন। এদিন আরো ১৮০ জন সিএনজিচালক ও ২১০ জন ভ্যানচালক এবং উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের ৩০ জন নেতাকর্মীকে ঈদ উপহার দেন পৌর মেয়র।

জানা যায়, করোনা পরিস্থিতিতে গত ২৪ মার্চ পাবনা জেলার সর্বত্রে ওষুধ ও নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দোকান ছাড়া সব কিছু বন্ধ করে দেন জেলা প্রশাসন। এমনকি রাস্তাঘাটে সাধারণ মানুষের চলাচলেও বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়। এতে ব্যবসায়ীসহ বিভিন্ন পেশার মানুষ কর্মহীন হয়ে পড়ে। তখন থেকেই ভাঙ্গুড়া পৌর মেয়র গোলাম হাসনাইন রাসেল নিজস্ব ও সরকারি উদ্যোগে কয়েক দফায় প্রায় ৩ হাজার পরিবারকে খাদ্য সহায়তা দেন। এছাড়া তিনি স্থানীয় বিভিন্ন সংগঠনের মাধ্যমেও কর্মহীন মানুষের পাশে দাঁড়ান। বর্তমান পরিস্থিতিতে মানুষ চলাচলের বিধি-নিষেধ কিছুটা শিথিল হলেও অনেকেই এখনো কর্মে যোগদান করতে পারেনি। এ অবস্থায় ভাঙ্গুড়া পৌর মেয়র গোলাম হাসনাইন রাসেল ভাঙ্গুড়া পৌর আওয়ামী লীগ ও বিভিন্ন ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের ৪৫৯ জন নেতাকর্মীকে ঈদ উপহার পৌঁছে দেন। একই সাথে তিনি ভাঙ্গুড়া পৌর শহরের অসহায় ও দুস্থ ২১০ জন ভ্যানচালক, ১৮০ জন সিএনজিচালক ও সেচ্ছাসেবকলীগের ৩০ নেতাকর্মীকে ঈদ উপহার দেন। ঈদ উপহারের মধ্যে ছিল চাল, ডাল, আটা, চিনি, সেমাই ও দুধ ক্রয়ের জন্য নগদ টাকা।

এ ব্যাপারে ভাঙ্গুড়া পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি ওমর ফারুক রানা বলেন, পৌর আওয়ামী লীগ ও ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের প্রত্যক সদস্য একটি পরিবারের সদস্যদের মতো। আর এই পরিবারের অভিভাবক মেয়র ও সাধারণ সম্পাদক রাসেল। মেয়র রাসেল তার রাজনৈতিক কৌশল দিয়ে পৌর আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদের একটি পারিবারিক বন্ধনে আবদ্ধ করে রেখেছেন। এছাড়া উপজেলা আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের সাথেও রয়েছে তার ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক।

ভাঙ্গুড়া পৌর মেয়র ও পৌর আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক গোলাম হাসনাইন রাসেল বলেন, দলীয় নেতাকর্মীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার অসহায় ও দুস্থ মানুষের সাথে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করে নিতে এই উপহার পাঠানো হয়েছে। আমি জানি দলীয় নেতাকর্মীরা অনেকেই অর্থনৈতিকভাবে সচ্ছল। কিন্তু এটা এক ধরনের ভালোবাসা ও বন্ধনের উপহার। তাই সবাই একসাথে ভালোবাসার বন্ধনে আবদ্ধ থেকে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করে নিতে এই উপহার প্রেরণ করা হয়েছে। 

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা