kalerkantho

সোমবার  । ১২ আশ্বিন ১৪২৮। ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২১। ১৯ সফর ১৪৪৩

মির্জাপুরে পিপিই সংকট, বিত্তবানদের এগিয়ে আসার আহবান

মির্জাপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি   

১২ এপ্রিল, ২০২০ ০৭:৩০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



মির্জাপুরে পিপিই সংকট, বিত্তবানদের এগিয়ে আসার আহবান

টাঙ্গাইলের মির্জাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে করোনাভাইরাস সুরক্ষা সরঞ্জাম পিপিই সংকট দেখা দিয়েছে। এজন্য স্বাস্থ্যকর্মীরা করোনা উপসর্গ থাকা রোগীদের নমুনা সংগ্রহ করতে হিমশিম খাচ্ছেন। তারা পলিথিন ব্যবহার করে ঝুঁকি নিয়ে নমুনা সংগ্রহ করছেন বলে জানা গেছে। স্বাস্থ্যকর্মীরা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স মির্জাপুর ফেসবুক পেজে এই তথ্য পোস্ট করেছেন।

উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মাকসুদা খানম মির্জাপুরের বিত্তবানদের পিপিই দিয়ে সহযোগিতা করতে এগিয়ে আসার আহবান জানিয়েছেন। 

এ উপজেলায় দিন দিন বেড়েই চলেছে করোনাভাইরাসের উপসর্গ দেখা দেওয়া মানুষের সংখ্যা। সারাদেশের মতো মির্জাপুরেও আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ছে। করোনাভাইরাস মোকাবেলায় কাজ করে চলেছেন মির্জাপুর উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স। তারা মানুষের পাশে থেকে দিনরাত কাজ করে চলেছেন।

উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্ত ডা. মাকসুদা খানম মির্জাপুরের বিত্তবানদের স্বাস্থ্য কর্মীদের সহযোগিতায় এগিয়ে আসার আহবান জানিয়েছেন।

জানা গেছে, গত ৭ এপ্রিল উপজেলার ভাওড়া ইউনিয়নের বৈরাগী ভাওড়া গ্রামের বাসিন্দা নারায়ণগঞ্জের পলি ক্লিনিকের সিনিয়র ওটি বয় প্রথম করোনা ভাইরাসে (কোভিড-১৯) আক্রান্ত হয়। পরে প্রশাসন তাকে ঢাকার কুয়েত মৈত্রী হাসপাতালে পাঠান।

এরপর থেকেই মির্জাপুর উপজেলা প্রশাসন ও স্বাস্থ্য বিভাগের ওপর চাপ বাড়তে থাকে। তারা সংক্রমণ ঠেকাতে বিভিন্নভাবে কাজ করে চলেছেন। উপজেলা স্বাস্থ্য বিভাগ এ পর্যন্ত ৩৫ জনের নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। এর মধ্যে ২৯ জনের নমুনা ঢাকায় পাঠানো হয়। শনিবার পর্যন্ত ২৫ জনের  রিপোর্ট পাওয়া গেছে। এক জনের করোনা পজেটিভ ও ২৪ জনের রিপোর্ট নেগেটিভ এসেছে। এরমধ্যে করোনা পজেটিভ ওই ব্যক্তির পরিবার ও আশপাশের বাড়ির ৯ জন রয়েছে বলে জানা গেছে।

এদিকে প্রতিজনের নমুনা সংগ্রহে দুটি করে পিপিই প্রয়োজন। যা একবারই ব্যবহারযোগ্য। 

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল টেকনোলজিষ্ট ল্যাব মোঃ জুয়েল হোসেন বলেন, আমরা স্বাস্থ্যকর্মীরা ঝুকি নিয়ে করোনার নমুনা সংগ্রহ করছি। নমুনা সংগ্রহ করতে হলে আমাদের পিপিই অত্যন্ত প্রয়োজন। পিপিই না থাকায় নমুনা সংগ্রহ করা কঠিন হয়ে পড়েছে।

উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মাকসুদা খানম জানান, করোনা উপসর্গ থাকা মানুষের নমুনা সংগ্রহে স্বাস্থ্য কর্মীদের পিপিইসহ চিকিৎসা সামগ্রী চাহিদার তুলনায় অপ্রতুল। ফলে সেবার মান কিছুটা ব্যাহত হচ্ছে। যত বেশি পিপিই পাওয়া যাবে ততো বেশি নমুনা সংগ্রহ করা যাবে। এতে ঝুঁকি কমে আসবে।

মির্জাপুরের বিত্তবানরা স্বাস্থ্য বিভাগ ও প্রশাসনের পাশে থেকে যথাযথ সহযোগিতা করলে সেবার মান বৃদ্ধি করা সম্ভব। স্বাস্থ্য কর্মীরা ঝুঁকি নিয়ে কাজ করছেন বলে তিনি উল্লেখ করেন।



সাতদিনের সেরা