kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭ । ৪ জুন ২০২০। ১১ শাওয়াল ১৪৪১

ত্রাণের লাইনেই করোনা ঝুঁকি!

ফুলবাড়িয়া (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি   

১০ এপ্রিল, ২০২০ ১৯:১৮ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



ত্রাণের লাইনেই করোনা ঝুঁকি!

করোনাভাইরাসের কারণে কর্মহীন হয়ে পরেছে মানুষ। নিম্ন আয়ের মানুষদের দেখা দিয়েছে অর্থনৈতিক সংকট। নিম্ন আয়ের মানুষগুলো প্রাণঘাতি করোনারভাইরাসের সংক্রমণের ঝুঁকি নিয়ে চালের জন্য গাদাগাদি করে লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে হয়।

উপজেলা আবাসিক মেডিকেল কর্মকর্তা (আরএমও) ডা. হারুন আল মাকসুদ বলেন, লাইনে দাঁড়িয়ে চাউল নেওয়া করোনাভাইরাসে সংক্রমিত হওয়ার আশঙ্কা সবচেয়ে বেশি। ত্রাণ সামগ্রী হউক আর যেটাই হউক গদাগাদি করে লাইনে দাঁড় করিয়ে কনো কিছুই বিতরণ করা এ মুহুর্তে ঠিক হচ্ছে না।

খোঁজ নিয়ে জানাগেছ, উপজেলা ১৩ টি ইউনিয়নে সরকারের খাদ্যবান্ধব ডিলার রয়েছে ৫১ জন। তাদের কাছ থেকে ২৮ হাজার ৫৪০ জন হতদরিদ্র কার্ডধারীরা প্রত্যেকে ৩০ কেজি করে চাল ক্রয় করেন প্রতিমাসে। ৫১ জন ডিলার প্রতি সপ্তাহে সোম, মঙ্গল ও বুধবার ১০ টাকা কেজি ধরে চাল বিক্রি করেন। দরিদ্ররা চাল ক্রয় করতে গিয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা করোনা সংক্রমণের ঝুঁকি নিয়ে লাইনে দাঁড়িয়ে থাকেন। মানা হয় না সামাজিক দূরত্ব। জনপ্রতিনিধিরা মুখে সামাজিক দূরত্বের কথা বললেও নিজেরা ত্রাণসামগ্রী দিতে গিয়ে তাঁরও সামাজিক দূরত্ব মানছে না।

ওএম,এস ডিলার লাল মাহমুদ বলেন, অনেক চেষ্টা করে দূরুত্ব বজায় রাখা যায় না, কার আগে কে চাল ক্রয় করবে তা নিয়ে প্রতিযোগিতা করতে গিয়েই শরীর ঘেঁষে লাইনে দাঁড়ায়।

উপজেলা নির্বহী কর্মকর্তা আশরাফুল সিদ্দিক বলেন, ত্রাণ বিতরণ করার সময় অবশ্য সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখতে হবে, ওএমএস ও খাদ্যবন্ধব ডিলারদেরকে নিদিষ্ট দূরত্ব বজায় রেখে চাল বিক্রি করতে বলা হয়েছে, যদি তারা না মানে তাদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা