kalerkantho

মঙ্গলবার । ১৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭ । ২ জুন ২০২০। ৯ শাওয়াল ১৪৪১

শার্শার সীমান্তবর্তী দুই গ্রাম ‘লকডাউন’

বেনাপোল (যশোর) প্রতিনিধি   

১০ এপ্রিল, ২০২০ ১৭:৩০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



শার্শার সীমান্তবর্তী দুই গ্রাম ‘লকডাউন’

বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়া প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে যশোরের শার্শা উপজেলার সীমান্তবর্তী দুটি গ্রামকে সেখানকার বাসিন্দারা নিজ উদ্যোগে লক ডাউন করেছেন। বৃহস্পতিবার বিকেল থেকে উপজেলার মহিষা ও দিঘা নামে এই দুটি গ্রামের সঙ্গে সব সংযোগ সড়ক বন্ধ করে দিয়েছেন তারা। 

উপজেলার কায়বা ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান ফিরোজ আহম্মেদ টিংকু বলেন, গ্রাম দুটি ভারত সীমান্ত ঘেঁষা। তাই বাইরের গ্রামের কেউ যাতে এ দুই গ্রামে আসতে না পারে এবং গ্রামের কেউ যাতে যত্রতত্র চলাচল করতে না পারে সেজন্য গ্রামবাসী এই উদ্যোগ নিয়েছেন। সবাইকে বাড়িতে থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। আমি দুস্থদের বাড়িতে খাবার পৌঁছে দেওয়ার ব্যবস্থা করব। 

গ্রাম দুটিতে এখন পর্যন্ত কেউ করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়নি জানিয়ে তিনি বলেন, গ্রামবাসী তাদের নিজেদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এই ব্যবস্থা নিয়েছে।

মহিষা গ্রামের বাসিন্দা জাহাঙ্গীর আলম জানান, নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যাদি কেনার জন্য সকাল ৮টা থেকে বেলা ২টা পর্যন্ত সবাই বাজারে যেতে পারবেন। তবে তাদের সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে চলাচল করতে হবে। গ্রামে ঢোকার সময় অবশ্যই সাবান দিয়ে হাত পরিষ্কার করতে হবে। জীবাণুমুক্ত হয়ে গ্রামে ঢুকতে হবে। গ্রামের ভেতর মানুষ চলাচল করতে পারবে না। সবাইকে বাড়ির ভেতরে থাকতে হবে বলে সবাইকে সতর্ক করা হচ্ছে।

দিঘা গ্রামের স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা মোহম্মদ রাসেল বলেন, সামাজিক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেওয়া হয়েছে, যাতে গ্রামে করোনাভাইরাস ছড়াতে না পারে। আইনশৃংখলা রক্ষাবাহিনী মাঠপর্যায়ে যে কাজটা করছে, সেটা আমরা গ্রামবাসী করে সরকারকে সহযোগিতা করছি মাত্র।

গ্রামবাসী বলছেন, গ্রাম দুটি সীমান্ত ঘেঁষা হওয়ায় আশপাশের গ্রামের অনেক মানুষ তাদের এই গ্রামের ওপর দিয়ে ভারতের বিভিন্ন প্রদেশে কাজকর্ম করতে যায়। তারা এখন ফিরে আসছে। তারা যাতে কেউ গ্রামে আসতে না পারে সেদিকটায় তারা বেশি নজর দিচ্ছেন।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা