kalerkantho

শুক্রবার । ১৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭ । ২৯  মে ২০২০। ৫ শাওয়াল ১৪৪১

আরো তিনজন করোনায় আক্রান্ত, কেরানীগঞ্জে ৩০ বাড়ি লকডাউন

কেরানীগঞ্জ (ঢাকা) প্রতিনিধি   

৭ এপ্রিল, ২০২০ ০৩:৩৩ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



আরো তিনজন করোনায় আক্রান্ত, কেরানীগঞ্জে ৩০ বাড়ি লকডাউন

কেরানীগঞ্জের জিনজিরা গোলজারবাগ, জিনজিরাবাগ ও শুভাঢ্যার চুনকুটিয়া এলাকায় আরো তিনজন করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। সোমবার দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেন কেরানীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা মীর মোবারক হোসাইন। আক্রান্ত ব্যক্তিরা হচ্ছে শুভাঢ্যা ইউনিয়নের চুনকুটিয়া হিজলতলা এলাকার মজিবুর রহমান (৬৮), এবং জিনজিরা এলাকার সাহাবুদ্দিন ঢালী (৫০) ও নুরুল আলম নোমান (৪৮)।

জিনজিরায় আক্রান্ত দুই ব্যক্তিকে অ্যাম্বুলেন্সযোগে কুয়েতমৈত্রী হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। আর শুভাঢ্যার চুনকুটিয়া হিজলতলার আক্রান্ত ব্যক্তি রাজধানীর কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এ নিয়ে ২৪ ঘণ্টায় চার ব্যক্তি কেরানীগঞ্জে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।

এদিকে সোমবার বিকালে আক্রান্ত ব্যক্তিদের তিনটিসহ আশপাশের ৩০টি বাড়ি লকডাউন ঘোষণা করে প্রায় ২০০টি পরিবারকে বাধ্যতামূলক ১৪ দিনে হোম কোয়ারেন্টিনে পাঠিয়েছেন উপজেলা স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। একই সঙ্গে করোনায় আক্রান্ত ওই দুই ব্যক্তির বাড়ির আশপাশের সড়কে চলাচল সীমিত করা হয়েছে।

কেরানীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা মীর মোশারফ হোসাইন জানান, জিনজিরায় আক্রান্ত ব্যক্তিদের নমুনা সংগ্রহের পর পরীক্ষায় তাদের পজেটিভ রেজাল্ট আসে। পরে তাদের গতকাল সোমবার সন্ধ্যায় কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। 

শুভাঢ্যার চুনকুটিয়া এলাকার অপর ব্যক্তি অসুস্থ হয়ে ঢাকা মেডিক্যালে গেলে সেখানে পরীক্ষার পর তাকে করোনায় আক্রান্ত বলে শনাক্ত করা হয়। বর্তমানে সে রাজধানীর কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে। আক্রান্ত তিন ব্যক্তি বিদেশ ফেরত নন। তারা যেকোনো ভাবেই হোক অন্য কারো দ্বারা সংক্রমিত হয়ে থাকতে পারেন। আমরা বিষয়টি তদন্ত করে দেখছি।

কেরানীগঞ্জ উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট কামরুল হাসান সোহেল বলেন, শুভাঢ্যার চুনকুটিয়ায় আক্রান্ত ব্যক্তি হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার আগ পর্যন্ত স্থানীয় মসজিদে গিয়ে নামাজ পড়েছেন। এসব কারণে আক্রান্ত ব্যক্তি যে বাড়িতে থাকতেন সেই বাড়িসহ আশপাশের এলাকা পুরোটা লকডাউন করা হয়েছে। অন্তত ১৪ দিন তাদের লকডাউনে থাকতে হবে।

এছাড়া জিনজিরা গোলজারবাগ ও জিনজিরাবাগ এলাকার ওই দুটি বাড়িটিও লকডাউন করা হয়েছে। দুটি এলাকায় ৩০টি বাড়িতে অন্তত দুই শতাধিক পরিবার বসবাস রয়েছে। এসব পরিবারের খাদ্য সহায়তার বিষয়টিও উপজেলা প্রশাসন নিশ্চিত করবে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা