kalerkantho

রবিবার । ১৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭ । ৩১  মে ২০২০। ৭ শাওয়াল ১৪৪১

আতঙ্কে সাধারণ মানুষ

প্রশাসনের নির্দেশনা অমান্য করে বাঘারপাড়ায় জমজমাট হাট

চন্দন দাস, বাঘারপাড়া (যশোর)    

৭ এপ্রিল, ২০২০ ০৩:০২ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



প্রশাসনের নির্দেশনা অমান্য করে বাঘারপাড়ায় জমজমাট হাট

করোনা সংক্রমণ প্রতিরোধে লোকজনকে অপ্রয়োজনে ঘরের বাইরে না বেরুতে প্রশাসনের কঠোর নির্দেশনা থাকলেও যশোরের বাঘারপাড়ায় তা মানা হচ্ছে না। এখানকার সব সাপ্তাহিক হাট বন্ধের কঠোর নির্দেশনা থাকলেও থেমে নেই হাটবাজারের কর্মকাণ্ড। 

সোমবার সকাল থেকেই বাঘারপাড়া সদরের সাপ্তাহিক হাট ছিল অনেকটা জমজমাট। হাটে আসা ক্রেতা-বিক্রেতাদের অনেকেই মাস্ক না পড়েই অবস্থান করেছে হাটের মধ্যে। সবজি ও মাছ বিক্রেতাদের অনেকেই ছিলেন মাস্কবিহীন। দুই একজন বাধ্য হয়ে মুখে জড়িয়ে রাখলেও কয়েকজনের মাস্ক ছিল দুই কানে জড়ানো।

সবজি ব্যবসায়ী আলী রায়হান বলেন, ‘ভাই পেটের দায়ে হাটে আইছি। বাড়ি বসে থাকলি খাবার জোটবে না’। তার পাশের অপর ক্ষুদ্র সবজি বিক্রেতা এখলাস উদ্দিন বলেন, ‘কৃষকরা তাদের সবজি নিয়ে হাটে আসেন। সবজি হাটে না তুললি  কৃষকগের সবজি ক্ষেতের মধ্যি পঁচে যাবে’। 

হাটে আসা লিয়াকত আলী নামে এক এনজিও কর্মী বলেন, ‘হাটটির জায়গা কম হওয়ায় গাদাগাদি করে কেনা বেচা করতে হয়। প্রশাসনের উচিত ফাঁকা কোনো মাঠের মধ্যে হাটটি স্থানান্তর করা’। 
 
বাঘারপাড়া পৌরসভার মেয়র কামরুজ্জামান বাচ্চু বলেন, ‘এ ব্যাপারে সবাইকে সতর্ক করা হয়েছে প্রশাসনের পক্ষ থেকে। ফের আলোচনা করে কঠোর সিদ্ধান্ত নেওযার দাবি তুলব।

জানতে চাইলে উপজেলা নির্বাহী অফিসার তানিয়া আফরোজ বলেন, ‘প্রশাসনের পক্ষ থেকে বাঘারপাড়ার সব সাপ্তাহিক হাট বন্ধের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। হাট  মালিকদের সঙ্গেও কথা বলেছি। আমাদের কাছে খবর আসলেই আমরা ব্যবস্থা নেই। ইতিপূর্বেও নিয়েছি। এ ব্যাপারে আরো কঠোর ভূমিকা পালন করব’।

উল্লেখ্য, বাঘারপাড়ায় সাপ্তাহিক হাট বন্ধের সরকারি নির্দেশনা থাকলেও সবজি ও মাছ বাজার এবং মুদি দোকান প্রতিদিন সকাল ছয়টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত খুলে রাখার নিয়ম করেছে স্থানীয় প্রশাসন। এছাড়া ওষুধের দোকান সব সময় খুলে রাখা যাবে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা