kalerkantho

মঙ্গলবার । ১৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭ । ২ জুন ২০২০। ৯ শাওয়াল ১৪৪১

বাঁচানো গেল না সন্ত্রাসী হামলায় আহত সেই মুক্তিযোদ্ধার সন্তানকে

নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম   

৪ এপ্রিল, ২০২০ ২২:৩১ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



বাঁচানো গেল না সন্ত্রাসী হামলায় আহত সেই মুক্তিযোদ্ধার সন্তানকে

চট্টগ্রাম নগরের মাদারবাড়িতে তুচ্ছ ঘটনায় প্রতিবেশীর হামলায় গুরুতর আহত মুক্তিযোদ্ধার সন্তান মোহাম্মদ শফিকে (৩৮) বাঁচানো গেল না। চিকিৎসকদের সব চেষ্টা ব্যর্থ করে শনিবার (৪ এপ্রিল) বিকেল ৩টার দিকে তিনি মারা গেছেন (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। নিহত শফির ছোট ভাই এনামুল হক বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

গত ২৩ মার্চ থেকে নগরের সিএসসিআর হাসপাতালের আইসিইউতে চিকিৎসাধীন ছিলেন শফি। শনিবার মৃত্যুর মাত্র এক ঘণ্টা আগে চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে খালি হওয়া আইসিইউ বেডে স্থানান্তর করা হয়েছিল তাকে।
নিহত মোহাম্মদ শফি পশ্চিম মাদারবাড়ি এলাকার মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার মৃত নূর আলীর সন্তান। এ ঘটনায় স্থানীয় লোকজন ও মুক্তিযোদ্ধারা ক্ষোভ ও নিন্দা জানিয়েছেন।

এর আগে ২২ মার্চ একটি তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে প্রতিবেশীর আক্রমণের শিকার শফিকে প্রথমে চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে প্রয়োজন হয় নিবিড় পরিচর্যা (আইসিইউ) কেন্দ্রের সেবা-চিকিৎসা।

চমেক হাসপাতালে আইসিইউ বেডের সংকট থাকায় ২৩ মার্চ ভোরে শফিকে নগরের বেসরকারি সিএসসিআর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। সেখানে নিউরো সার্জন ডা. কামাল উদ্দিনের তত্ত্বাবধানে শফির মাথায় অস্ত্রোপচার করা হয়।

আহত শফির ছোট ভাই এনামুল হক জানান, ছোট একটি সাজনার গাছ কাটা নিয়ে ধারাল অস্ত্র নিয়ে আমার ভাই শফির ওপর দুই দফায় হামলা করে সন্ত্রাসীরা। এ সময় বড় ভাই শফিকে মাথায় মারাত্মক আঘাত এবং ডান পায়ের হাঁটুতে ছুরিকাঘাত করে ফারুক ও তার ছোট ভাই আহমদ নবী। আর এতে ইন্ধন জোগায় তাদের মা।

ওইদিনই গুরুতর আহত শফিকে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠায় এলাকাবাসী। প্রায় ১৪ দিন মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ে শনিবার দুপুরে মৃত্যুবরণ করেন মোহাম্মদ শফি। শফির স্ত্রী ও ছোট ছোট দুই সন্তান রয়েছে।

এ ঘটনায় চট্টগ্রামের সদরঘাট থানায় মামলা হয়। কিন্তু ১৪ দিনেও পুলিশ কাউকে আটক করতে পারেনি।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা