kalerkantho

বুধবার । ১৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭ । ২৭  মে ২০২০। ৩ শাওয়াল ১৪৪১

মাধবপুরে জমিতেই নষ্ট হচ্ছে মিষ্টিকুমড়া, দিশেহারা কৃষক

আবুল হাসান ফায়েজ, মাধবপুর (হবিগঞ্জ)   

৪ এপ্রিল, ২০২০ ২২:১৪ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



মাধবপুরে জমিতেই নষ্ট হচ্ছে মিষ্টিকুমড়া, দিশেহারা কৃষক

করোনাভাইরাসের কারণের গত ২৬ মার্চ থেকে সব কিছু বন্ধ রয়েছে। দেশে চলছে অঘোষিত ‘লকডাউন’। বন্ধ রয়েছে পরিবহনও। তবে পণ্য পরিবহনের কোনো বাধা না থাকলেও প্রয়োজনীয় ক্রেতার অভাবে হবিগঞ্জের মাধবপুরে জমিতেই নষ্ট হচ্ছে মিষ্টিকুমড়া।

স্থানীয় বাজারগুলোতে চাহিদা কমে যাওয়া আর গত বৃহস্পতিবারের (২ এপ্রিল) দুপুরের শিলাবৃষ্টি উপজেলার বেশির ভাগ কৃষকের ফসল নষ্ট হয়ে গেছে। এতে করে ঋণগ্রস্ত কৃষকরা দিশেহারা হয়ে পড়েছেন। তবে এখনো ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের তালিকা করা হয়নি বলে জানিয়ে উপজেলা কৃষি অফিস বলছে, করোনাভাইরাসে প্রাদুর্ভাব গেলে তাদেরকে হয়তো আর্থিক প্রণোদনা দেওয়া হতে পারে। এবার উপজেলায় ১১ হাজার হেক্টর জমিতে ধান চাষ এবং এক হাজার আটশ হেক্টর জমিতে বিভিন্ন ধরনের সবজি চাষ করা হয়েছে বলে জানিয়েছে উপজেলা কৃষি অফিস। 

উপজেলার শাহজাহানপুর, বহরা, চৌমুহনী, ধর্মঘর, আদাঐর, ছাতিয়াইন, নোয়াপাড়া, বাঘাসুরা, বুল্লা, জগদীশপুর ইউনিয়নের বেশিরভাগ মানুষ সবজি চাষ করে জীবিকা নির্বাহ করেন। তবে এবার করোনা পরিস্থিতি আর সবশেষ শিলাবৃষ্টির কারণে তাদের লোকসানের মধ্যে পড়তে হবে। আর বর্তমানে যে পরিমাণ ফসল জমিতে আছে তাও বিক্রি করতে পারছেন না। এবার বাইরে থেকে কোনো পাইকারই সবজি কিনতে বাজারে আসছেন না।

উপজেলার সবজি চাষি সাহাদত মিয়া বলেন, বেশিরভাগ মিষ্টিকুমড়া শিলাবৃষ্টির আঘাত লেগেছে। ফলে এগুলো এখন পচে নষ্ট হয়ে যাবে। করোনাভাইরাসের প্রভাবে উৎপাদিত টমেটো, মিষ্টিকুমড়া ও বরবটি স্থানীয় বাজারে কম দামে বিক্রি করছিলাম। লাভের আশা ছেড়ে দিয়ে পুঁজি ফেরত পাওয়ার চেষ্টা করছিলাম। কিন্তু বৃহস্পতিবারের শিলাবৃষ্টিতে আমাদের পুঁজি ফেরত পাওয়ার আশা শেষ হয়ে গেছে। 

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সাইফুল ইসলাম বলেন, উপজেলার ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের জন্য কোনো আর্থিক বরাদ্দ আসেনি। তবে করোনাভাইরাসের সঙ্ককটকালীন সময় পরে হয়তো আর্থিক প্রণোদনা আসতে পারে। আমরা চেষ্টা করবো কৃষকদের পাশে দাঁড়াতে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা