kalerkantho

শনিবার । ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭ । ৬ জুন ২০২০। ১৩ শাওয়াল ১৪৪১

পুলিশের জালে জুয়াড়িদের পালেরগোদা

গাইবান্ধা প্রতিনিধি   

১ এপ্রিল, ২০২০ ২০:৫২ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



পুলিশের জালে জুয়াড়িদের পালেরগোদা

করোনোভাইরাস সংক্রমণের ভীতির মধ্যেও আসন্ন চৈত্রসংক্রান্তি ও বাংলা নববর্ষকে কেন্দ্র করে সাদুল্যাপুরের গ্রামগুলোতে স্থানীয় পেশাদার ও চিহ্নিত জুয়াড়িরা জুয়ার আসর বসানোর মহড়া দিতে শুরু করেছে। গত মঙ্গলবার রাতে সাদুল্যাপুর থানা পুলিশ ফরিদপুর ইউনিয়নের মহেশপুর গ্রামের ষাড়ের দিঘী এলাকা থেকে এমন এক জুয়ার আসর থেকে জুয়ারিদের পালেরগোদা আব্দুল গোফ্ফারকে (৫৫) হাতেনাতে আটক করেছে। পরে বুধবার দুপুরের পর তাকে আদালতের মাধ্যমে গাইবান্ধা জেলা কারাগারে পাঠানো হয়। আটক আব্দুল গোফ্ফার উপজেলার ফরিদপুর ইউনিয়নের মহেশপুর গ্রামের মৃত. শমসের আলী ছেলে।

পুলিশ ও এলাকাবাসী জানায়, গাইবান্ধার সাদুল্যাপুরের গ্রামগুলোতে গ্রাম বাংলার ঐতিহ্যবাহী বারুনী মেলাগুলোতে প্রতিবছর একদল জুয়ারি মানুষকে প্রলোভন দেখিয়ে জুয়ার আসর বসায়। ফলে বিনষ্ট হয় মেলার পরিবেশ। এবার করোনার কারণে মেলা বন্ধ রাখার ঘোষণা দেওয়া স্বত্তেও একটি মহলের ছত্রছায়ায় তারা যথারীতি প্রস্তুতি নিতে শুরু করেছে। এর মধ্যে উপজেলার শেরপুর, টিয়াগাছা, ভবানীপুর, পাটানোছা, মহেশপুর, ভাজা কালাই, মীরপুর, নাকরি বাশেঁর তল ও কালসার ডারাসহ বিভিন্ন এলাকায় জুয়ারীরা তৎপর।  চলমান করোনাভাইরাস সতর্কতার মধ্যেও তারা জুয়া চালিয়ে মানুষকে প্রলুব্ধ করছে।
 
স্থানীয় সমাজসেবী শিক্ষক তাজুল ইসলাম বলেন, কান্ডজ্ঞানহীণ, অর্থলোভী কিছু লোক প্রতিবছর এসময় ওয়ার্ম আপ গেম শুরু করে। এবারের ভয়াবহ সংকটেও তারা থেমে নেই। এদের কারণে সর্বশান্ত হয় অসংখ্য মানুষ।
    
সাদুল্যাপুর  থানার পরিদর্শক  মো. মাসুদ রানা বলেন, কয়েকদিন থেকে এই এলাকার পেশাদার জুয়ারিদের পালেরগোদা আব্দুল গোফ্ফার ওই এলাকায় জুয়া শুরু করেছিল। খবর পেয়ে মঙ্গলবার রাতে জুয়ার আসর বসানোর প্রস্তুতি নেওয়ার মুহুর্তে তাকে হাতে নাতে আটক করা হয়। তাকে এর আগেও তাকে একাধিকবার আটক করা হয়েছে। তিনি আরও জানান, প্রতিবছর চৈত্র সংক্রান্তি ও বাংলা নববর্ষ উপলক্ষে এ উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় একাধিক মেলা বসে। আর এসব মেলায় চিরচেনা পরিবেশ ও সনাতন ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য নষ্ট করে এই জুয়ারিরা। নির্দেশনা অনুযায়ী এবার মেলা অনুষ্টিত হবে না। জুয়ারিদের ব্যাপারেও পুলিশ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা