kalerkantho

শনিবার । ১৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭ । ৩০  মে ২০২০। ৬ শাওয়াল ১৪৪১

হাট-বাজারে লোকের সমাগম

মাদারীপুর প্রতিনিধি   

১ এপ্রিল, ২০২০ ১৯:৫৮ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



হাট-বাজারে লোকের সমাগম

মাদারীপুর জেলার বিভিন্ন স্থানে সকাল-বিকাল নিয়মিত বসছে দৈনিক বাজার। পাশাপাশি নির্ধারিত স্থান ও বন্দরে বসছে সাপ্তাহিক হাট। ফলে বহু লোক সমাগমের কারণে করোনাভাইরাস সংক্রমণের ঝুঁকি বেড়েই চলেছে। শহরতলি ও গ্রামগঞ্জের কেউ সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে চলাফেরা করছে না। লম্বা ছুটিতে ঢাকা থেকে গ্রামে আসা লোকজন দল বেধে যাতায়াতসহ আড্ডা দিচ্ছে। এসব অসচেতন লোকজনকে সচেতন করতে প্রশাসন, সেনাবাহিনী ও অন্য সকল আইন শৃঙ্খলা রক্ষাবাহিনী হিমশিম খাচ্ছে।

খোঁজ নিয়ে আরো জানা যায়, নানা বয়সের মানুষ করোনাভাইরাসের ঝুঁকি মাথায় নিয়ে অবাধে হাট-বাজার করছে। বুধবার সকালে হাট বসার কারণে ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কের মাদারীপুর রাজৈরের টেকেরহাট উত্তরপাড়ে সৃষ্টি হয় যানজট। লোক গাদাগাদি করে চলাচল করছে ইজিবাইক, ভ্যান রিকসাসহ ছোট-ছোট যানবাহন। এমন দৃশ্য সবচেয়ে বেশি চোখে পড়ছে মাদারীপুর সদর ও রাজৈর উপজেলার প্রায় সর্বত্র। তবে শিবচরের চিত্র ভিন্ন। সেখানে লোক সমাগম খুব একটা দেখা যায় না। বুধবার শহরের ইটেরপুল, পুরান বাজার, কুলপদ্বী, চৌরাস্তা, মস্তফাপুর, মঠের বাজার, ছিলারচরসহ বিভিন্ন স্থানের হাট-বাজারে লোক সমাগম লেগেই থাকতে দেখা যায়। 

শহরতলি ও গ্রামগুলোতে গোপনে বা প্রকাশ্যে চলছে চায়ের দোকানে আড্ডা, খাবারের হোটেলে ভির। করোনা সংক্রমণের ঝুঁকি জেনেও অনেকে বিরূপ মন্তব্য করে বসে গ্রামের মানুষ। এ ছাড়াও গণপরিবহণ বন্ধ থাকলেও ইঞ্জিনচালিত ভ্যান, ইজিবাইক ও মাহিন্দ্রা চলছে স্বাভাবিকভাবেই। 

মাদারীপুর পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মাহবুব হাসান বলেন, আমরা সাধ্যমত চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি সাধারণ মানুষকে সচেতন করতে। কিন্তু যারা সচেতন হচ্ছে না তাদের জন্য আইনের প্রয়োগ আরও বাড়িয়ে দেওয়া হবে। আইন ভঙ্গকারীকে জরিমানা ২ হাজার টাকার স্থানে ৫ হাজার টাকা করবো।

মাদারীপুর জেলা প্রশাসক মো. ওয়াহিদুল ইসলাম বলেন, সকলের চেষ্টা করে যাচ্ছে সম্মিলিত সহযোগিতায় করোনাভাইরাসের ঝুঁকি থেকে মাদারীপুরকে রক্ষা করতে। সকলের ঐকান্তিক সহযোগিতায় আমরা করোনাভাইরাস প্রতিরোধ করতে পারব।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা