kalerkantho

মঙ্গলবার । ১৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭ । ২ জুন ২০২০। ৯ শাওয়াল ১৪৪১

পাকুন্দিয়ায় শিক্ষককে কুপিয়ে জখম

পাকুন্দিয়া (কিশোরগঞ্জ) প্রতিনিধি   

১ এপ্রিল, ২০২০ ১৮:০১ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



পাকুন্দিয়ায় শিক্ষককে কুপিয়ে জখম

কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়ায় পূর্ব শত্রুতার জেরে মাওলানা জালাল উদ্দিন (৬০) নামের এক শিক্ষককে কুপিয়ে ও পিটিয়ে গুরুতর জখম করেছে প্রতিপক্ষের লোকেরা। উপজেলার পুটিয়া গ্রামে মঙ্গলবার সকালে এ ঘটনা ঘটলেও আজ বুধবার সকালে জালাল উদ্দিন নিজেই বাদী হয়ে তিনজনকে অভিযুক্ত করে পাকুন্দিয়া থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। 

আহত জালাল উদ্দিন উপজেলার পুটিয়া গ্রামের মৃত ওয়াজেদ আলীর ছেলে। তিনি নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ উপজেলার গোবিন্দপুর দাখিলা মাদরাসার সহকারী শিক্ষক। জালাল উদ্দিন বর্তমানে পাকুন্দিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন। 

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার সকাল ৮টার দিকে নিজ জমিতে কাজ করতে যান জালাল উদ্দিন। এ সময় পূর্ব শত্রুতার জেরে একই গ্রামের মৃত শমসের আলীর ছেলে মজিবুর রহমান, তার স্ত্রী মরিয়ম আক্তার, ছেলে শোয়েব দা, লোহার রড ও লাঠিসোঁটা নিয়ে তাঁর কাজে বাধা দেয়। এর প্রতিবাদ করলে ক্ষিপ্ত হয়ে মজিবুর তার হাতে থাকা দা দিয়ে জালাল উদ্দিনের ঘাড়ে কোপ দেয়। ছেলে শোয়েব লোহার রড দিয়ে জালাল উদ্দিনের বাম চোখের ওপর আঘাত করে। স্ত্রী মরিয়ম আক্তার লাঠি দিয়ে এলোপাতাড়ি পেটায়। এ সময় জালাল উদ্দিনের চিৎকারে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এলে তারা পালিয়ে যায়। পরে জালাল উদ্দিনকে উদ্ধার করে পাকুন্দিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে ভর্তি করা হয়। তিনি বর্তমানে সেখানে চিকিৎসাধীন। 

হাসপাতালে চিকিৎসাধীন জালাল উদ্দিন বলেন, মজিবুর একজন সন্ত্রাসী। এলাকায় বিভিন্ন লোকজনের সাথে ঝগড়াঝাটি করাই তার কাজ। এলাকায় তার বিরুদ্ধে একাধিক সালিস-দরবার হয়েছে। কিন্তু কোনো সালিস-দরবারই সে মানেনি। সে একজন খারাপ লোক হিসেবে এলাকায় পরিচিত। 

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পাকুন্দিয়া থানার এসআই মো. মজিবুর রহমান বলেন, অভিযোগের প্রেক্ষিতে অভিযুক্তদের বাড়িতে গিয়ে কাউকে পাওয়া যায়নি।  

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা